১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০০:৫২

শিরোনাম
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বড় সুখবর, কর ও ভ্যাট মওকুফের প্রস্তাব অর্থমন্ত্রীর ঘৃণ্য অপরাধেও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের তাগিদ আইনমন্ত্রীর শান্তিরক্ষীদের সম্মান জানিয়ে পালিত জাতিসংঘ দিবস বিশেষ অভিযানে দেশজুড়ে গ্রেপ্তার ১৮ হাজার ৩২৮ জন হামের টিকা ক্রয়ে সরকারের বরাদ্দ ৪১২ কোটি ৭১ লাখ টাকা আপনি গুলি করলে আমরা কি চুড়ি পরে বসে থাকবো’-সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের উত্তেজনা তিন মাসে ১৭ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোদন সরকারি দফতরের শূন্যপদ পূরণে যত দ্রুত সম্ভব নিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী
শিরোনাম
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বড় সুখবর, কর ও ভ্যাট মওকুফের প্রস্তাব অর্থমন্ত্রীর ঘৃণ্য অপরাধেও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের তাগিদ আইনমন্ত্রীর শান্তিরক্ষীদের সম্মান জানিয়ে পালিত জাতিসংঘ দিবস বিশেষ অভিযানে দেশজুড়ে গ্রেপ্তার ১৮ হাজার ৩২৮ জন হামের টিকা ক্রয়ে সরকারের বরাদ্দ ৪১২ কোটি ৭১ লাখ টাকা আপনি গুলি করলে আমরা কি চুড়ি পরে বসে থাকবো’-সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের উত্তেজনা তিন মাসে ১৭ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোদন সরকারি দফতরের শূন্যপদ পূরণে যত দ্রুত সম্ভব নিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান পুনর্গঠনে সহায়তা করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান পুনর্গঠনে সহায়তা করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ জুন, ২০২৬, ১৫:৩১

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের অবকাঠামো পুনর্গঠনে ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ ও সামরিক সংঘাতের কারণে ধ্বংস হওয়া সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পুনর্নির্মাণে বিপুল অর্থ ব্যয় হবে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য পুনর্গঠন প্রকল্পে প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলার বা তারও বেশি ব্যয় হতে পারে। তিনি বলেন, এত বড় ব্যয়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা একটি বাস্তবসম্মত বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তবে সম্ভাব্য সহায়তার বিনিময়ে অর্থনৈতিক বা জ্বালানি খাতে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, সে সম্পর্কেও ইঙ্গিত দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, এই উদ্যোগ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপ পুনর্গঠনের জন্য নেওয়া ঐতিহাসিক ‘মার্শাল প্ল্যান’-এর সঙ্গে তুলনীয় কি না। জবাবে তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে এ ধরনের তুলনা করা যেতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অতীতের মডেলের মতো একতরফা হবে না এবং এতে পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

ট্রাম্প আরও বলেন, সম্ভাব্য পুনর্গঠন কার্যক্রমে যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় রাখতে পারে। তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে ব্যবসায়িক ও কৌশলগত স্বার্থের প্রাধান্য নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই দেশের পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপের ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এর প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক কূটনীতিতেও পড়ছে।

সংঘাতের জেরে ইরানের বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এবং পুনর্গঠনে সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। একই সঙ্গে তেহরানের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন, জ্বালানি সম্পদ এবং ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এসব বিষয় আগামী দিনে আন্তর্জাতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তবে ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারে উত্থাপিত সম্ভাব্য প্রস্তাব বা শর্ত বাস্তবে কোনো সরকারি নীতিতে রূপ নেবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ফলে বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন, তেহরান এবং আন্তর্জাতিক মহলের পরবর্তী অবস্থানের দিকে নজর রাখছেন পর্যবেক্ষকরা।

আরও পড়ুন