০৪ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ০৪:১৯

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে বহনকারী ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, জরুরি অবতরণ জুলাই সনদের প্রতি বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: মির্জা ফখরুল ১৫০ সামরিক কর্মকর্তার পদোন্নতি-সুবিধা ঘোষণা নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে যা জানাল সরকার এআই যুগেও নৈতিক সাংবাদিকতার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর রোহিঙ্গা সংকটে নতুন উদ্বেগ, কমছে বৈশ্বিক সহায়তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭.৬৫ বিলিয়ন ডলার ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও বৃক্ষরোপণে ডিএসসিসির উচ্চপর্যায়ের কমিটি
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে বহনকারী ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, জরুরি অবতরণ জুলাই সনদের প্রতি বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: মির্জা ফখরুল ১৫০ সামরিক কর্মকর্তার পদোন্নতি-সুবিধা ঘোষণা নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে যা জানাল সরকার এআই যুগেও নৈতিক সাংবাদিকতার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর রোহিঙ্গা সংকটে নতুন উদ্বেগ, কমছে বৈশ্বিক সহায়তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭.৬৫ বিলিয়ন ডলার ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও বৃক্ষরোপণে ডিএসসিসির উচ্চপর্যায়ের কমিটি

গুলশানের হোলি আর্টিজান হামলার এক দশক আজ, স্মরণে নিহতরা

গুলশানের হোলি আর্টিজান হামলার এক দশক আজ, স্মরণে নিহতরা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ জুলাই, ২০২৬, ০৯:২৩

দেশি-বিদেশি ২০ জনকে হত্যার মধ্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচিত গুলশানের হোলি আর্টিজান হামলার ১০ বছর পূর্ণ হলো আজ ১ জুলাই। ২০১৬ সালের এই দিনে রাজধানীর গুলশান-২ এলাকার ৭৯ নম্বর সড়কের ৫ নম্বর বাড়িতে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠেছিল দেশ-বিদেশ।

ইফতারের পরপরই হোলি আর্টিজান বেকারিতে ঢুকে অস্ত্রধারী হামলাকারীরা নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায় বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য। পরে সেনাবাহিনীর কমান্ডো অভিযানে হামলার অবসান ঘটে। অভিযানে পাঁচ হামলাকারী নিহত হয়। তারা হলো নিবরাজ ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল, মীর সামেহ মোবাশ্বের, রোহান ইবনে ইমতিয়াজ ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল। হামলার বেশ কিছুদিন আগেই তারা বাসা থেকে বেরিয়ে নিরুদ্দেশ হয়েছিল।

হামলায় নিহতদের মধ্যে ছিলেন ৯ জন ইতালীয়, ৭ জন জাপানি, ১ জন ভারতীয়, ২ জন বাংলাদেশি এবং ১ জন বাংলাদেশি-আমেরিকান নাগরিক। হামলা ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ দেন ২ পুলিশ কর্মকর্তা।

সেই দুই পুলিশ কর্মকর্তার স্মরণে গুলশান থানার সামনে নির্মিত ভাস্কর্য ‘দীপ্ত শপথ’ ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে এটি আর পুনর্নির্মাণ করা হয়নি। এছাড়া প্রতিবছর যে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ কর্মসূচি পালন করা হতো, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেটিও হয়নি।

আগের বছরগুলোতে ঘটনাস্থলে শ্রদ্ধা জানাতে যেতেন জাপান ও ইতালি দূতাবাসের কর্মকর্তারা। তবে এবার ঘটনাস্থলে কোনো কর্মসূচি থাকছে না। ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার এম তানভীর আহমেদ জানিয়েছেন, দূতাবাসগুলো সমন্বয় করে ইতালি দূতাবাসে একটি স্মরণসভা আয়োজন করা হবে।

তিনি বলেন, “দূতাবাসগুলো সমন্বয় করে ইতালি দূতাবাসে এ দিনটি স্মরণ করবে। তবে ঘটনাস্থলে শ্রদ্ধা জানানোর কোনো কর্মসূচি নেই।”

এই হামলার ঘটনায় গুলশান থানায় দায়ের করা মামলার বিচার চলে প্রায় সাড়ে তিন বছর। ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সাতজনকে ফাঁসির আদেশ দেয়। পরে ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ে হাইকোর্ট তাদের সাজা পরিবর্তন করে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন।

দণ্ডিতরা হলেন জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজীব গান্ধী, আসলাম হোসেন ওরফে র‌্যাশ, হাদিসুর রহমান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, আব্দুস সবুর খান, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ এবং মামুনুর রশিদ রিপন।

হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের অধিকাংশই পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নিহত হয়েছে বলে জানা যায়।

আরও পড়ুন