১৪ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৭:২৯

শিরোনাম
বন্যাকবলিত দেশের ৫৯ উপজেলা, মৃত্যু বেড়ে ৫৪: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে সরকারের অবস্থান জানালেন তথ্য উপদেষ্টা দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯০ এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে আন্দোলনে সংহতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জুনে সড়কে প্রাণ গেল ৪৬৩ জনের, মোট দুর্ঘটনা ৫৯০ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা নিয়ে দোহায় গেলেন স্পিকার ঢাবিতে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নতুন ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
শিরোনাম
বন্যাকবলিত দেশের ৫৯ উপজেলা, মৃত্যু বেড়ে ৫৪: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে সরকারের অবস্থান জানালেন তথ্য উপদেষ্টা দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯০ এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে আন্দোলনে সংহতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জুনে সড়কে প্রাণ গেল ৪৬৩ জনের, মোট দুর্ঘটনা ৫৯০ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা নিয়ে দোহায় গেলেন স্পিকার ঢাবিতে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নতুন ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বাংলাদেশে পুশ ইন নিয়ে আসাম সরকারের তথ্য প্রকাশ

বাংলাদেশে পুশ ইন নিয়ে আসাম সরকারের তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১৬:২৯

ভারতের আসাম রাজ্য সরকার গত দুই বছরে ১ হাজার ৬৭৯ জনকে বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ বা সীমান্তের ওপারে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। তাদের মধ্যে আসামের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল (এফটি) ঘোষিত ১৯৩ জন ‘বিদেশি’ নাগরিকও রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এনডিটিভির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে এসব ব্যক্তিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। আসাম বিধানসভায় রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।

অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্টের (এআইইউডিএফ) বিধায়ক বদরুদ্দিন আজমলের এক প্রশ্নের জবাবে আসামের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ তথ্য জানান।

আসাম সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে পাঠানো ১ হাজার ৬৭৯ জনকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে—‘ডিপোর্ট’, ‘সেন্ট ব্যাক’ এবং ‘এক্সপেলড’। এদের মধ্যে ১৯২ জনকে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল ‘বিদেশি’ ঘোষণা করেছিল। এছাড়া মরিয়ম বেগম নামে এক শিশুকেও তার মায়ের সঙ্গে সীমান্তের ওপারে পাঠানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মে মাস থেকে আসাম সরকার ঘোষিত বিদেশিদের ‘পুশ ব্যাক’ করার নীতি গ্রহণ করে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা বা সমন্বয় করা হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

পরে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দীর্ঘদিন অকার্যকর থাকা ‘ইমিগ্র্যান্টস (এক্সপালশন ফ্রম আসাম) অ্যাক্ট-১৯৫০’ পুনরায় কার্যকর করার ঘোষণা দেয় রাজ্য সরকার। এরপর এ বিষয়ে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) তৈরি করা হয়।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আইনের আওতায় বহিষ্কার করে বাংলাদেশে পাঠানো ৬৭ জন ঘোষিত বিদেশির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৯ জন মধ্য আসামের নগাঁও জেলার বাসিন্দা। এছাড়া কোকরাঝাড়, বারপেতা, চিরাং, কার্বি আংলংসহ বিভিন্ন জেলার মানুষ রয়েছেন।

এদিকে বাংলাদেশে পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে কতজন গুয়াহাটি হাইকোর্ট বা ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে আসাম সরকার জানিয়েছে, উচ্চ আদালতে কোনো মামলা বিচারাধীন থাকলে কাউকে প্রত্যাবাসন করা হয় না। তবে ইতোমধ্যে পাঠানো ব্যক্তিদের কেউ আগে আপিল করেছিলেন কি না, সে তথ্য সরকারের কাছে নেই।

এর আগে সোমবার (১৩ জুলাই) ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল সংক্রান্ত এক রায়ে গুয়াহাটি হাইকোর্টের ২৭টি রায় বাতিল করেন। এসব মামলায় আবেদনকারীদের অনুপস্থিতিতে একতরফাভাবে বিচার করে বিদেশি ঘোষণা করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট মামলাগুলো পুনর্বিচারের জন্য সংশ্লিষ্ট ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন