একজোট হয়ে ইরানকে প্রতিহত করার ঘোষণা আরব দেশগুলোর
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০ জুলাই, ২০২৬, ২১:৪৪
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করেছে ইরান। নতুন করে শুরু হওয়া এই হামলায় লক্ষ্যবস্তু হয়েছে কুয়েত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান।
অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি বিদ্যমান অবস্থায় হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় স্থিতিশীলতার পথ সংকীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। অঞ্চলজুড়ে ঘনীভূত হচ্ছে বড় সংঘাতের শঙ্কাও। এমন উদ্বেগের মধ্যে ইরানি হামলা প্রতিহত করতে একজোট হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলো।
উপসাগরীয় দেশগুলো জোট জিসিসি সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে সৌদি আরব ও কাতারের তেলবাহী ট্যাংকারে, বাহরাইন ও কয়েতে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। এই হামলাকে আন্তর্জাতিক নৌচালাচল স্বাধীনতা ও বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর অগ্রহণযোগ্য আঘাত হিসেবে আখ্যাও দিয়েছি জোটটি। জিসিসির সদস্য রাষ্ট্রগুলার মধ্যে রয়েছে বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
এক বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় সৌদি আরবের ট্যাংকার ‘ওয়াদিয়ান’ ও কাতারের ট্যাংকার ‘আল রেকায়াত’-কে লক্ষ্য করে চালানো ইরানি হামলা নাবিকদের জীবন বিপন্ন করেছে। একই সঙ্গে বাহরাইন ও কুয়েতের ওপর ইরানের উপর্যুপরি হামলা আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৮১৭ নম্বর প্রস্তাবের গুরুতর লঙ্ঘন। এই প্রস্তাবটি সমুদ্রপথে নিরাপদ যাতায়াতের নিশ্চয়তা দেয়।
এ ছাড়া এই হামলা হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারককেও লঙ্ঘন করেছে বলে উল্লেখ করেছে জিসিসি। হামলা মোকাবিলায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পূর্ণ সংহতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে উপসাগরীয় দেশগুলোর জোট সংগঠনটি।
জোটের পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হয়, উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা অবিচ্ছেদ্য। জিসিসি সনদ ও যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুসারে, যে কোনো একটি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর হামলাকে পুরো জোটের ওপর সরাসরি আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। জাতিসংঘের সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় যে কোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও যৌথ আত্মরক্ষার অধিকার জিসিসির রয়েছে।
বিবৃতিতে এই বৈরী কর্মকাণ্ডের সব পরিণতির জন্য ইরানকে সম্পূর্ণরূপে দায়ী করা হয়। জিসিসি জানায়, তেহরানের এই অস্থিতিশীল আচরণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও বিশ্ব অর্থনীতিকে গুরুতর ঝুঁকিতে ফেলছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিশেষ করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে এই হামলার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জিসিসি। সমুদ্র আইন সম্পর্কিত জাতিসংঘের কনভেনশন (ইউএনসিএলওএস) অনুসারে, বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হরমুজ প্রণালীতে কোনো ধরনের একতরফা বিধিনিষেধ বা ট্রানজিট মাশুল আরোপ ছাড়াই নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ
প্রতিফলন/টিএস
আরও পড়ুন
- • বদলাচ্ছে চিরাচরিত ধারা, বিটিভিতে বিরোধীদলীয় নেতার খবর প্রচার
- • বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্র বন্ধের মেয়াদ বৃদ্ধি
- • পর্তুগালের নতুন কোচ জর্জ জেসুস
- • বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন
- • স্পেনে ভয়াবহ দাবানলে মৃত্যু ১২, নিখোঁজ ২৩
- • একজোট হয়ে ইরানকে প্রতিহত করার ঘোষণা আরব দেশগুলোর
- • হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে ফাঁসি কার্যকরের দাবি নাহিদ ইসলামের
- • আর্জেন্টিনার সামনে সুইস প্রাচীর, কোবেলকে ভাঙাই হবে কঠিন পরীক্ষা
- • আর্জেন্টিনার পরবর্তী ম্যাচ কবে-কখন, প্রতিপক্ষ কে?
- • ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি
- • খামেনির শেষবিদায়ে ইউরোপীয় দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানায়নি ইরান
- • পারমাণবিক অস্ত্রের সমান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি: দিমিত্রি মেদভেদেভ
- • যুদ্ধবিরতিকে সামরিক প্রস্তুতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান
- • চিত্রনায়ক সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ
- • বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর আনিছুর রহমান
- • স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
- • সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
- • ১১ জুলাই পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক
