২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৩:২০

শিরোনাম
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন নয়, জানালেন মির্জা ফখরুল ২০২৭ হজে খরচ কমাতে সৌদির কাছে বাংলাদেশের অনুরোধ
শিরোনাম
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন নয়, জানালেন মির্জা ফখরুল ২০২৭ হজে খরচ কমাতে সৌদির কাছে বাংলাদেশের অনুরোধ

মেসি নন, রদ্রিই কেন গোল্ডেন বলের প্রকৃত দাবিদার

মেসি নন, রদ্রিই কেন গোল্ডেন বলের প্রকৃত দাবিদার

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ জুলাই, ২০২৬, ০০:৫৩

২০২৬ বিশ্বকাপের পর সবচেয়ে বড় বিতর্ক ছিল একটাই—গোল্ডেন বল কি লিওনেল মেসির হাতে যাওয়া উচিত ছিল, নাকি রদ্রির? শেষ পর্যন্ত ফিফা স্পেন অধিনায়ক রদ্রিকেই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত করে। আর ফাইনালের পারফরম্যান্স সেই সিদ্ধান্তের পক্ষে সবচেয়ে শক্তিশালী যুক্তি হয়ে ওঠে।

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতলেও ম্যাচে স্পেনের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। পুরো ম্যাচে স্পেন নেয় ২০টি শট, যেখানে আর্জেন্টিনার প্রথম শট আসে অতিরিক্ত সময়ের ১১৭তম মিনিটে। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ একের পর এক সেভ না করলে ব্যবধান আরও বড় হতে পারত।

বিশ্বকাপজুড়ে স্পেনের রক্ষণও ছিল দুর্ভেদ্য। আট ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করে তারা, যা বিশ্বকাপজয়ী কোনো দলের অন্যতম সেরা রক্ষণাত্মক পরিসংখ্যান।

এই সাফল্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন রদ্রি। ফাইনালের আগে টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৬৪৮টি সফল পাস, ৯৩ শতাংশ পাস সফলতার হার, সর্বোচ্চ দৌড় এবং সবচেয়ে বেশি উচ্চগতির রান—সবকিছুই ছিল তার ঝুলিতে। ফাইনালেও তিনি ১০৬টি পাসের মধ্যে ১০১টি সফল করেন, প্রতিপক্ষের অর্ধে ৬১টির মধ্যে ৫৭টি পাস সম্পন্ন করেন, দীর্ঘ ৯টি পাসের ৮টিতে সফল হন, দুটি বড় সুযোগ তৈরি করেন এবং জেতেন আটটি দ্বৈরথ।

অন্যদিকে, লিওনেল মেসি টুর্নামেন্টে ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করে দারুণ পারফরম্যান্স দেখালেও নকআউটের শেষ তিন ম্যাচ—কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালে—গোল করতে পারেননি। ফাইনালে স্পেনের নিয়ন্ত্রিত মাঝমাঠের কারণে তিনি আক্রমণভাগে কার্যকর প্রভাব ফেলতেও ব্যর্থ হন।

গোল্ডেন বল কেবল গোল বা অ্যাসিস্টের পুরস্কার নয়; এটি পুরো টুর্নামেন্টে সবচেয়ে প্রভাবশালী ফুটবলারের স্বীকৃতি। যেখানে মেসির দায়িত্ব ছিল আক্রমণ পরিচালনা করা, সেখানে রদ্রি একই সঙ্গে বলের দখল ধরে রাখা, খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ, প্রতিপক্ষের আক্রমণ থামানো, আক্রমণ গড়ে তোলা এবং দলের ভারসাম্য বজায় রাখার কাজ করেছেন।

পর্তুগাল, বেলজিয়াম, ফ্রান্স এবং ফাইনালে আর্জেন্টিনার মতো শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষেও স্পেনের ছন্দের মূল কারিগর ছিলেন তিনি। বিশেষ করে ফাইনালে মেসিকে কার্যত ম্যাচ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়াই রদ্রির প্রভাবকে সবচেয়ে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

মেসির গোলের পরিসংখ্যান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকলেও স্পেনের খেলার ছন্দ, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং রক্ষণভাগের ভিত্তি ছিলেন রদ্রি। তাই ২০২৬ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বল তার হাতে ওঠা শুধু যৌক্তিকই নয়, টুর্নামেন্টের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের নিরিখে সেটিই ছিল সবচেয়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত।

আরও পড়ুন