২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯:০৬

শিরোনাম
কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা
শিরোনাম
কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা

রাজধানীতে গ্যাস বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ

রাজধানীতে গ্যাস বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৩

রাজধানীর ভাটারা থানার নতুনবাজার ১০০ ফিট রোড এলাকার একটি বাসায় গ্যাসলাইন থেকে গ্যাস লিকেজের পর বিস্ফোরণে একই পরিবারের শিশুসহ তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর স্থানীয়দের সহায়তায় দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।

দগ্ধরা হলেন—মো. শাহিন (২৪), তার স্ত্রী মোছা. ফাহিমা আক্তার (২১) এবং তাদের আট বছর বয়সী ভাগ্নি আপছা।

আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. জসিম জানান, শাহিন পেশায় একজন দোকানকর্মী। তিনি পরিবার নিয়ে নতুনবাজার ১০০ ফিট রোড এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। ভোরে বাসার ভেতরে জমে থাকা গ্যাসে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে শাহিন, তার স্ত্রী ও ভাগ্নি দগ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, ভাটারা থেকে দগ্ধ হয়ে আসা তিনজনের অবস্থাই অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

তিনি জানান, শাহিনের শরীরের ৫০ শতাংশ, ফাহিমা আক্তারের ৪৫ শতাংশ এবং শিশু আপছার ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে গ্যাসলাইন থেকে গ্যাস লিকেজের কারণে বাসার ভেতরে গ্যাস জমে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন