২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৩:১৯

শিরোনাম
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন নয়, জানালেন মির্জা ফখরুল ২০২৭ হজে খরচ কমাতে সৌদির কাছে বাংলাদেশের অনুরোধ
শিরোনাম
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন নয়, জানালেন মির্জা ফখরুল ২০২৭ হজে খরচ কমাতে সৌদির কাছে বাংলাদেশের অনুরোধ

৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ জুলাই, ২০২৬, ০০:৫৬

দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও মিত্র দলগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার এগিয়ে যাবে।

সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুগপৎ আন্দোলনে শরিক দলগুলোর নেতাদের সম্মানে আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় ও নৈশভোজে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ আন্দোলনে যারা রাজপথে ছিলেন, তাদের ঐক্য বজায় রাখা জরুরি। মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে বিভেদের কোনো সুযোগ নেই। জনগণের সমর্থনই সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই আস্থা ধরে রেখেই ৩১ দফা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

বক্তব্যে একটি রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় যাদের রাজপথে দেখা যায়নি, তারা ৫ আগস্টের পর ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করেছে। ‘গুপ্ত’ শব্দ ব্যবহার করলেই সাধারণ মানুষ তাদের চিনতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দেশের মানুষকে এসব ‘গুপ্ত’ শক্তির বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কোনো একক দলের নয়, এটি এখন জনগণের কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। সব সমমনা রাজনৈতিক দলকে নিয়ে সেই সংস্কার বাস্তবায়নের প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতি, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাত ভঙ্গুর অবস্থায় ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সীমিত সময়ের মধ্যেই সরকার জনগণকে স্বস্তি দিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে এবং সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে বিভিন্ন শরিক দলের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), জমিয়তে উলামায়ে ইসলামসহ যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে এক টেবিলে নৈশভোজে অংশ নেন।

আরও পড়ুন