০৯ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১১:৫৭

শিরোনাম
বৈশ্বিক নিরাপত্তায় প্রযুক্তিনির্ভর জাতিসংঘ পুলিশ চায় বাংলাদেশ আপিল বিভাগের রায়ে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান বাংলাদেশ-তাজিকিস্তান বৈঠক, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করার বার্তা তিন মন্ত্রী না থাকায় সংসদে প্রশ্নোত্তর স্থগিত সাংবাদিক নিবন্ধনের উদ্যোগ, বদলাচ্ছে প্রেস কাউন্সিল আইন সংসদের আর্থিক তদারকিতে নতুন নেতৃত্ব বিনামূল্যে প্রাথমিক সেবা পাবে সবাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের ফ্রি শিক্ষার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
বৈশ্বিক নিরাপত্তায় প্রযুক্তিনির্ভর জাতিসংঘ পুলিশ চায় বাংলাদেশ আপিল বিভাগের রায়ে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান বাংলাদেশ-তাজিকিস্তান বৈঠক, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করার বার্তা তিন মন্ত্রী না থাকায় সংসদে প্রশ্নোত্তর স্থগিত সাংবাদিক নিবন্ধনের উদ্যোগ, বদলাচ্ছে প্রেস কাউন্সিল আইন সংসদের আর্থিক তদারকিতে নতুন নেতৃত্ব বিনামূল্যে প্রাথমিক সেবা পাবে সবাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের ফ্রি শিক্ষার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের ভিএআর বিতর্কে মুখ খুললেন ইনফান্তিনো

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের ভিএআর বিতর্কে মুখ খুললেন ইনফান্তিনো

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৫

আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচে ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) সিদ্ধান্ত নিয়ে চলা বিতর্কের অবসানে মুখ খুলেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি পর্যালোচনা করে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা থেকে বোঝা যায় ভিএআর দল ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো একটি দলকে সুবিধা দিতে চেয়েছিল।

এক বিবৃতিতে ইনফান্তিনো বলেন, ফুটবলের সঙ্গে তার সম্পর্ক কয়েক দশকের। রেফারিং, প্রতিযোগিতা পরিচালনা এবং খেলার আইন নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি জানেন, কোনো সিদ্ধান্ত যখন বিশ্বজুড়ে বড় বিতর্ক তৈরি করে, তখন সেটি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

ফিফা সভাপতি জানান, তিনি ঘটনাটি একবার বা দুবার নয়, ১০ বারের বেশি দেখেছেন। বিভিন্ন ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল, ম্যাচ কর্মকর্তাদের ভিএআর যোগাযোগ এবং সংশ্লিষ্ট রিপ্লেগুলোও পর্যালোচনা করেছেন।

ইনফান্তিনো বলেন, “আমি এটি করিনি আর্জেন্টিনা জড়িত ছিল বলে, কিংবা মিশর ছিল বলে। করেছি, কারণ ফুটবলে মতামতের আগে সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।”

তিনি বলেন, পর্যালোচনার পর তার মূল্যায়ন হলো—ভিএআর দল ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো পক্ষকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে, এমন কোনো প্রমাণ নেই।

তবে ফিফা সভাপতি স্বীকার করেন, সমর্থকদের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, “মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই পারে, দ্বিমত পোষণ করতেই পারে। সেটাই ফুটবল। কিন্তু মতবিরোধ মানেই ষড়যন্ত্র—এমন ধারণা সঠিক নয়।”

ইনফান্তিনো আরও বলেন, ভিএআর প্রযুক্তি চালুর উদ্দেশ্য হলো পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট ভুল কমানো, ফুটবল থেকে সব ধরনের বিতর্ক পুরোপুরি দূর করা নয়। কারণ অনেক সিদ্ধান্তই রেফারির বিচার-বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।

তিনি বলেন, “আমি বুঝতে পারি কেন মিশরের সমর্থকরা হতাশ। একই সঙ্গে এটাও বুঝতে পারি, কেন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা মনে করেন সিদ্ধান্তগুলো সঠিক ছিল। এই দুই বিপরীত প্রতিক্রিয়াই প্রমাণ করে, এমন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন।”

ফিফা সভাপতি জানান, বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার দায়িত্ব কোনো একটি দলের সমর্থকদের সন্তুষ্ট করা নয়; বরং খেলার আইন সবার ক্ষেত্রে সমান, ধারাবাহিক ও নিরপেক্ষভাবে প্রয়োগ নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, রেফারিং বিভাগ প্রয়োজন মনে করলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোর মতো এই ম্যাচের বিতর্কিত ঘটনাগুলোও পর্যালোচনা করা হবে।

ইনফান্তিনো বলেন, “কোনো রেফারি পর্যালোচনার ঊর্ধ্বে নন। কোনো সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণের বাইরে নয়। এভাবেই ফুটবল প্রতিনিয়ত আরও উন্নত হয়।”

বিবৃতির শেষাংশে তিনি ফুটবলের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্বচ্ছতা, ধারাবাহিকতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমেই খেলাটির প্রতি বিশ্বাস তৈরি হয়।

আরও পড়ুন