০৯ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১২:৩৬

শিরোনাম
বৈশ্বিক নিরাপত্তায় প্রযুক্তিনির্ভর জাতিসংঘ পুলিশ চায় বাংলাদেশ আপিল বিভাগের রায়ে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান বাংলাদেশ-তাজিকিস্তান বৈঠক, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করার বার্তা তিন মন্ত্রী না থাকায় সংসদে প্রশ্নোত্তর স্থগিত সাংবাদিক নিবন্ধনের উদ্যোগ, বদলাচ্ছে প্রেস কাউন্সিল আইন সংসদের আর্থিক তদারকিতে নতুন নেতৃত্ব বিনামূল্যে প্রাথমিক সেবা পাবে সবাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের ফ্রি শিক্ষার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
বৈশ্বিক নিরাপত্তায় প্রযুক্তিনির্ভর জাতিসংঘ পুলিশ চায় বাংলাদেশ আপিল বিভাগের রায়ে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান বাংলাদেশ-তাজিকিস্তান বৈঠক, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করার বার্তা তিন মন্ত্রী না থাকায় সংসদে প্রশ্নোত্তর স্থগিত সাংবাদিক নিবন্ধনের উদ্যোগ, বদলাচ্ছে প্রেস কাউন্সিল আইন সংসদের আর্থিক তদারকিতে নতুন নেতৃত্ব বিনামূল্যে প্রাথমিক সেবা পাবে সবাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের ফ্রি শিক্ষার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম বন্দরে স্থবির আমদানি-রপ্তানি

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম বন্দরে স্থবির আমদানি-রপ্তানি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:১০

বৃষ্টির পাশাপাশি সাগর উত্তাল থাকায় বড় ধরনের সংকটে পড়েছে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে লাইটারেজ জাহাজ ভিড়তে না পারায় গত তিন দিন ধরে পণ্য খালাস ছাড়াই অলস বসে আছে ৫০টির বেশি মাদার ভ্যাসেল।

ব্যবসায়ীদের দাবি, এর ফলে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় তৈরি পোশাক কারখানাগুলোও পড়েছে নানা সমস্যায়।

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বুধবার পর্যন্ত ৫৫টি মাদার ভ্যাসেলের অবস্থান থাকলেও মাত্র ৩টি জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ৫২টি জাহাজ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পণ্য খালাস বন্ধ রেখে অপেক্ষায় রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার ৪৬টি জাহাজের মধ্যে মাত্র ৭টি এবং সোমবার ৫০টি জাহাজের মধ্যে ১৪টি জাহাজ পণ্য খালাস করতে পেরেছিল।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, সাগর উত্তাল থাকা এবং বহির্নোঙর এলাকায় ভারী বৃষ্টির কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে লাইটারেজ কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হচ্ছে। বর্তমানে লঘুচাপের প্রভাবে সাগরে ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম বলেন, বৃষ্টিতে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকায় খাদ্যশস্য, সারসহ কিছু পণ্য খালাসে সমস্যা হচ্ছে।

বড় আকারের মাদার ভ্যাসেলগুলো চট্টগ্রাম বন্দরের মূল জেটিতে সরাসরি ভিড়তে না পারায় মহেশখালী-কুতুবদিয়ার বহির্নোঙরে অবস্থান করে। সেখান থেকে ছোট লাইটার জাহাজের মাধ্যমে পণ্য খালাস করা হয়। তবে উত্তাল সাগরে দুই জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের ঝুঁকি থাকায় বর্তমানে এ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রতিটি মাদার ভ্যাসেল আকার অনুযায়ী প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ক্ষতির মুখে পড়ছে।

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. আরিফ বলেন, প্রায় ৫৫টি জাহাজের মধ্যে যেসব জাহাজে পণ্য খালাসের জন্য হ্যাচ খুলতে হয়, সেগুলোর দৈনিক ক্ষতি ২০ থেকে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

এদিকে টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় বন্দরকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোও ক্ষতির মুখে পড়েছে। অনেক স্থানে কন্টেইনারে পানি ঢুকে আমদানি-রপ্তানি পণ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তৈরি পোশাক খাতেও এর প্রভাব পড়েছে। বিজিএমইএ পরিচালক এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, রাস্তাঘাট ও কারখানায় পানি ঢুকে গেছে, এমনকি কন্টেইনারও পানিতে ডুবে গেছে। এতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

তবে চট্টগ্রাম বন্দরের মূল জেটিতে জাহাজ ভেড়ানো ও কন্টেইনার ওঠানামা কার্যক্রম প্রায় স্বাভাবিক রয়েছে। বৃষ্টির কারণে পণ্য ডেলিভারি কিছুটা কমেছে। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে তিন হাজার কন্টেইনার ডেলিভারি হলেও বুধবার তা কমে প্রায় ২ হাজার ৬০০টিতে নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন