০৯ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১১:৪১

শিরোনাম
বৈশ্বিক নিরাপত্তায় প্রযুক্তিনির্ভর জাতিসংঘ পুলিশ চায় বাংলাদেশ আপিল বিভাগের রায়ে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান বাংলাদেশ-তাজিকিস্তান বৈঠক, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করার বার্তা তিন মন্ত্রী না থাকায় সংসদে প্রশ্নোত্তর স্থগিত সাংবাদিক নিবন্ধনের উদ্যোগ, বদলাচ্ছে প্রেস কাউন্সিল আইন সংসদের আর্থিক তদারকিতে নতুন নেতৃত্ব বিনামূল্যে প্রাথমিক সেবা পাবে সবাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের ফ্রি শিক্ষার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
বৈশ্বিক নিরাপত্তায় প্রযুক্তিনির্ভর জাতিসংঘ পুলিশ চায় বাংলাদেশ আপিল বিভাগের রায়ে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান বাংলাদেশ-তাজিকিস্তান বৈঠক, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করার বার্তা তিন মন্ত্রী না থাকায় সংসদে প্রশ্নোত্তর স্থগিত সাংবাদিক নিবন্ধনের উদ্যোগ, বদলাচ্ছে প্রেস কাউন্সিল আইন সংসদের আর্থিক তদারকিতে নতুন নেতৃত্ব বিনামূল্যে প্রাথমিক সেবা পাবে সবাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের ফ্রি শিক্ষার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর

আপিল বিভাগের রায়ে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান

আপিল বিভাগের রায়ে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:১০

বহুল আলোচিত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান পুনর্বহাল হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার সকালে এ রায় দেন।

রায়ের পর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান পুনর্বহাল সংক্রান্ত হাইকোর্টের সিদ্ধান্তই বহাল থাকল।

পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে মোট তিনটি আপিল করা হয়েছিল। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ চার ব্যক্তি একটি আপিল করেন। এছাড়া নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার পৃথক দুটি আপিল করেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে চূড়ান্ত রায় দেন হাইকোর্ট। ওই রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এবং গণভোট বাদ দেওয়ার বিষয়ে পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা বাতিল ঘোষণা করা হয়।

একই সঙ্গে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত ৭ক, ৭খ এবং ৪৪(২) অনুচ্ছেদের কয়েকটি অংশকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে বাতিল ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

২০১১ সালের ৩০ জুন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন সংসদে পাস করে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়েছিল।

পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপের পাশাপাশি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি এবং জাতীয় চার মূলনীতি—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা পুনর্বহাল করা হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। পরে আপিল বিভাগে শুনানি শেষে আজ এ রায় ঘোষণা করা হলো।

আরও পড়ুন