০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৬:৫১

শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫
শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫

দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি প্রথম শুরু হয় জিয়াউর রহমানের শাসনামলে

দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি প্রথম শুরু হয় জিয়াউর রহমানের শাসনামলে

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১৮:৫৮

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (Expanded Programme on Immunization - EPI) পাইলট প্রকল্প হিসেবে আটটি এলাকায় শুরু হয়। 

এর মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো হামের টিকাসহ ছয়টি প্রচলিত টিকা (বিসিজি, ডিপিটি, ওপিভি, টিটি ও হাম) শিশুদের মধ্যে প্রদানের যাত্রা শুরু হয়। 

সে সময় দেশে শিশু মৃত্যুর হার ছিল অত্যন্ত উঁচু। প্রতি হাজার শিশুর মধ্যে ২১১ জন পাঁচ বছর বয়সের আগেই মারা যেত। এর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি মৃত্যু ঘটত হাম, যক্ষ্মা, পোলিও, ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টঙ্কার ও হুপিং কাশির মতো রোগে। 

জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী উদ্যোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) Expanded Programme on Immunization-এর আওতায় এই কর্মসূচি চালু করা হয়, যা পরবর্তীতে সারাদেশে সম্প্রসারিত হয়।

এই টিকাদান কর্মসূচি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত। এর ফলে শিশু মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে এবং দেশ ধীরে ধীরে পোলিওমুক্তসহ অনেক সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে সফলতা অর্জন করে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিয়াউর রহমানের আমলে শুরু হওয়া এই ম্যাস ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রাম আজও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও, সেই সময়কার এই উদ্যোগের কারণে টিকাদানের সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, যা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী কর্মসূচির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে।এই কর্মসূচির মাধ্যমে জিয়াউর রহমান শুধু স্বাস্থ্য খাতেই নয়, গ্রামীণ উন্নয়ন, শিক্ষা ও অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রেও দূরদর্শী অবদান রেখেছিলেন বলে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়।

আরও পড়ুন