১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ০৪:১৬

শিরোনাম
রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জনস্বার্থে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তীত রেখেছে সরকার সংবিধান সংস্কার নয় বরং সংবিধান সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল
শিরোনাম
রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জনস্বার্থে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তীত রেখেছে সরকার সংবিধান সংস্কার নয় বরং সংবিধান সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল

১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন

১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৫

রক্তাক্ত জুলাইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে ১৮ জুলাইকে স্মরণ করা হয়। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও এদিন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণে নতুন গতি পায় আন্দোলন। সফল হয় শিক্ষার্থীদের ঘোষিত ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি।

আন্দোলনকারীদের দাবি, সেদিন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ ২৯ জন নিহত হন এবং আহত হন কয়েক হাজার মানুষ। আবু সাঈদ, ওয়াসিমসহ নিহতদের হত্যার বিচার এবং বৈষম্যবিরোধী দাবিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভে অংশ নেন।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল বন্ধ হওয়ার পর আন্দোলন কিছুটা গতি হারালেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তা আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং নিহতদের বিচারের দাবিতেই তারা রাজপথে নেমেছিলেন।

১৮ জুলাই বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে কয়েকজন পুলিশ সদস্য কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনে আশ্রয় নেন বলে দাবি করা হয়। পরে ভবনটি ঘিরে ফেললে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

একই সময়ে রামপুরা, নতুনবাজার, প্রগতি সরণিসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দেশের বিভিন্ন জেলার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষও ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎকালীন সরকার সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন করে। সংঘর্ষে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও দেশের কয়েকটি জেলায় হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে দাবি করা হয়।

এদিন দুপুরে সরকার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দেয়। তবে আন্দোলনের সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিহতদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আলোচনায় যাওয়ার বিষয়ে তারা আগ্রহী নন।

দিন শেষে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, গুজব ও অপপ্রচার ঠেকাতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাতে শনির আখড়া, কাজলা, সাইনবোর্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত থাকে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা পরবর্তী কর্মসূচির প্রস্তুতি নিতে থাকেন।

জুলাইয়ের শুরু থেকেই আন্দোলনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী সক্রিয় থাকলেও ১৮ জুলাই তাদের ব্যাপক অংশগ্রহণ আন্দোলনের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

আরও পড়ুন