২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে ফিফার আয় ১৫ বিলিয়ন ডলারের পথে
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ জুলাই, ২০২৬, ১৬:২২
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ থেকে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয়ের পথে রয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। টুর্নামেন্ট শেষে সংস্থাটির মোট আয় প্রায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে ফিফার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১ বিলিয়ন ডলার। তবে টিকিট বিক্রি, হসপিটালিটি প্যাকেজ এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক খাত থেকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি আয় হওয়ায় সেই লক্ষ্য অনেকটাই ছাড়িয়ে গেছে।
এর আগে ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ থেকে ফিফার আয় হয়েছিল ৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। আর ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে আয় ছিল ৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার। সেই তুলনায় ২০২৬ বিশ্বকাপের আয় নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সদস্যদেশগুলোর ফুটবল সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই তথ্য জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, উচ্চমূল্যের হসপিটালিটি প্যাকেজ বিক্রি এবং টিকিটের পুনর্বিক্রয় বাজার থেকে অতিরিক্ত রাজস্বের বড় অংশ এসেছে। পুনর্বিক্রয় হওয়া প্রতিটি টিকিটে ক্রেতা ও বিক্রেতা—উভয় পক্ষের কাছ থেকেই ১৫ শতাংশ কমিশন পেয়েছে ফিফা।
রেকর্ড এই আয়ের একটি অংশ সদস্যভুক্ত জাতীয় ফুটবল সংস্থাগুলোর মধ্যে বণ্টনের পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে অর্থ বণ্টনের পদ্ধতি নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বাণিজ্যিক সাফল্য ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর অবস্থান আরও শক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত এবারের বিশ্বকাপ চলাকালে বিভিন্ন বিতর্কের মুখে পড়লেও বিপুল রাজস্ব আয় তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা বাড়াতে পারে।
বিশেষ করে শেষ ষোলোর ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। সমালোচকদের অভিযোগ ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাবেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ফিফা জানিয়েছে, স্বাধীন শৃঙ্খলা কমিটিই বিষয়টি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত দিয়েছে।
আগামী মার্চে ফিফা সভাপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে ২০০টিরও বেশি সদস্যদেশের ফুটবল সংস্থার সমর্থন পেয়েছেন ইনফান্তিনো। ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্বকাপের এই বিপুল আয়ের একটি অংশ সদস্য সংস্থাগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হলে তার প্রতি সমর্থন আরও বাড়তে পারে।
এদিকে এবারের আর্থিক সাফল্যের পর ভবিষ্যতে আবারও যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে। ২০৩৮ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের বিড সামনে রেখে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়েও ফিফার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা চলছে।
বিশ্বকাপ ফাইনালের আগের রাত পর্যন্তও নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত স্পেন-আর্জেন্টিনা ম্যাচের জন্য ফিফার টিকিটিং পোর্টালে ভিআইপি ও হসপিটালিটি প্যাকেজ বিক্রি চলেছে। এর মধ্যে ‘ট্রফি লাউঞ্জ’ প্যাকেজের একেকটি টিকিটের মূল্য ছিল ৩৪ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার, যা এবারের বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক সাফল্যের আরেকটি দৃষ্টান্ত।
আরও পড়ুন
- • মিষ্টি রোদে বোল্ড লুকে নেহা, আসছে নতুন সিনেমা
- • মঞ্চ ছাড়তে চাইছিলেন না ট্রাম্প, সরাতে পারছিলেন না ফিফা সভাপতিও
- • ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • মেসি নন, রদ্রিই কেন গোল্ডেন বলের প্রকৃত দাবিদার
- • কিয়ারার সাহসী দৃশ্যে পাশে কাজল আগরওয়াল
- • নিখোঁজ ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত সন্দেহভাজন নারী
- • গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা
- • স্পেনের পক্ষে বাজি ধরে কোটি টাকা জিতলেন মিয়া খলিফা!
- • সরকার কোনো উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না: প্রধানমন্ত্রী
- • কাতারের সাবেক আমিরের নামে ঢাকায় সড়কের নামকরণের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর
- • ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার
- • আগামী ৫ দিন ভারী বর্ষণের আশঙ্কা: আবহাওয়া অধিদপ্তর
- • বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
- • হঠাৎ কাতার সফরে গেলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- • বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব
- • কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
- • চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো সিরিয়ায় হামলা চালাল ইরান
