০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৮:২৬

শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫
শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫

থাইল্যান্ডে সিকদার পরিবারের ৭ কোম্পানির সম্পত্তি ক্রোক

থাইল্যান্ডে সিকদার পরিবারের ৭ কোম্পানির সম্পত্তি ক্রোক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৭

ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সিকদার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান জয়নুল হক সিকদারের তিন ছেলে-মেয়ের মালিকানাধীন থাইল্যান্ডে অবস্থিত সাতটি কোম্পানির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, জয়নুল হক সিকদার, তার সন্তান এবং তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ঘুষ গ্রহণ এবং মানি লন্ডারিংয়ের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দুদক ইতোমধ্যে সাত সদস্যের একটি যৌথ তদন্ত দল গঠন করেছে।

তদন্ত চলাকালে দুদক জানতে পারে, অভিযুক্তরা বিদেশে থাকা তাদের সম্পত্তি স্থানান্তরের চেষ্টা করছেন। এতে তদন্ত কার্যক্রম বিঘ্নিত হতে পারে এবং সরকারের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

তাই দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী, থাইল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ওই ৭ কোম্পানির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও ফ্রিজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দুদকের সূত্র অনুযায়ী, সিকদার পরিবারের মালিকানাধীন এসব ৭ কোম্পানির রেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৩৫ কোটি ৩০ লাখ থাই বাথ, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ কোটি টাকা।

দুদক আরও জানায়, সিকদার পরিবারের বিরুদ্ধে ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে অনিয়মিত লোন গ্রহণ, জামানতবিহীন ঋণ ও প্রভাব খাটিয়ে অর্থ উত্তোলনের মতো অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতেই বিদেশে থাকা সম্পত্তি জব্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন