১৪ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২:৩৫

শিরোনাম
ঢাবিতে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নতুন ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শতাধিক যুগ্মসচিবকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সংযুক্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত ছয় সংসদীয় কমিটি গঠন প্রধানমন্ত্রীর বহরের গাড়িতে ইটের টুকরো, নাশকতা নাকি দুর্ঘটনা তদন্ত করছে পুলিশ এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সফর, উদ্বোধন করবেন স্টার্টআপ প্ল্যাটফর্ম সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রধান হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
শিরোনাম
ঢাবিতে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নতুন ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শতাধিক যুগ্মসচিবকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সংযুক্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত ছয় সংসদীয় কমিটি গঠন প্রধানমন্ত্রীর বহরের গাড়িতে ইটের টুকরো, নাশকতা নাকি দুর্ঘটনা তদন্ত করছে পুলিশ এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সফর, উদ্বোধন করবেন স্টার্টআপ প্ল্যাটফর্ম সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রধান হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

বন্যা-পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪, পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

বন্যা-পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪, পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১০:২০

দেশজুড়ে টানা অতিবর্ষণ, পাহাড়ি ঢল, বন্যা ও পাহাড় ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে সাত জেলায় এখনো দেড় লাখের বেশি পরিবার পানিবন্দি রয়েছে।

বন্যাকবলিত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জনে।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বন্যা পরিস্থিতির হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ—এই সাত জেলার ৫৯টি উপজেলা, ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

এবারের দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। জেলাটিতে এ পর্যন্ত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৮ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। এছাড়া জেলায় ২৪ জন আহত হয়েছেন এবং একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দুর্গত মানুষের আশ্রয়ের জন্য সাত জেলায় মোট ১ হাজার ৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বর্তমানে ৩৮ হাজার ৪২২ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

এর মধ্যে চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি ৪১৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৬ হাজার ৮২১ জন অবস্থান করছেন। বান্দরবানের ২২০টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ১৩৪ জন, রাঙামাটির ৪৭টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ৪৮৭ জন, কক্সবাজারের ৭টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৩১ জন এবং মৌলভীবাজারের ১৪টি কেন্দ্রে ১ হাজার ২৪ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

খাগড়াছড়ির ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৭৪ জন আশ্রয় নিয়েছেন। অন্যদিকে হবিগঞ্জের দুটি আশ্রয়কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত কোনো আশ্রিত মানুষের তথ্য পাওয়া যায়নি।

বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাত জেলায় এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৯৫০ টন চাল এবং ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা নগদ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া দুর্গত মানুষের মধ্যে শুকনো খাবারসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে রাঙামাটি ও বান্দরবানে ২০ লাখ টাকা করে বিশেষ অনুদান দেওয়া হয়েছে। এ অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তা কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে।

আরও পড়ুন