১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ২০:৫১

শিরোনাম
গ্যাসের দাম বাড়ানোর নতুন তোড়জোড় 'জুলাই চেতনা' বিক্রি করে রাজনীতি বেশিদিন টিকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে ফলের ক্যারেটে লুকানো ১৬ কেজি স্বর্ণ জব্দ সবুজ গণপরিবহনে বড় উদ্যোগ, ইলেকট্রিক বাসের জন্য ৪০০ কোটি টাকা চাইল বিআরটিসি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে তুরস্ক সফরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে সিলেটে খনন হচ্ছে নতুন ৩ কূপ দুই দিনের সফরে ঢাকায় আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো
শিরোনাম
গ্যাসের দাম বাড়ানোর নতুন তোড়জোড় 'জুলাই চেতনা' বিক্রি করে রাজনীতি বেশিদিন টিকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে ফলের ক্যারেটে লুকানো ১৬ কেজি স্বর্ণ জব্দ সবুজ গণপরিবহনে বড় উদ্যোগ, ইলেকট্রিক বাসের জন্য ৪০০ কোটি টাকা চাইল বিআরটিসি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে তুরস্ক সফরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে সিলেটে খনন হচ্ছে নতুন ৩ কূপ দুই দিনের সফরে ঢাকায় আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো

হবিগঞ্জে হাওরে তলিয়ে গেল ৫০০ একর জমির বোরো ফসল

হবিগঞ্জে হাওরে তলিয়ে গেল ৫০০ একর জমির বোরো ফসল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১৮:৫০

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামের পার্শ্ববর্তী হাওর এলাকায় চৈত্র মাসের টানা বৃষ্টিতে প্রায় ৫০০ একর বোরো ধানের জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হুগলির হাওরসহ আশপাশের হাওরগুলোতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতিবছরই এমন ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। আগাম বন্যা ও অতিবৃষ্টির হাত থেকে ফসল রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সরেজমিন দেখা যায়, কৃষক আহ্লাদ মিয়া ঋণ নিয়ে ৮ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে বোরো চাষ করেছিলেন। গত শুক্রবার থেকে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে পানির উচ্চতা বাড়তে থাকায় তার জমি রক্ষার সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। বর্তমানে তার পুরো জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে ঋণ পরিশোধ ও পরিবারের ভরণ-পোষণ নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন আরো অনেক কৃষক। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক প্রদীপ চক্রবর্তী জানান, ৬ বিঘা জমিতে চাষ করা তার ধানও পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে ঋণ শোধ ও সংসার চালানো নিয়ে তিনি অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

কৃষক কুটি মিয়া বলেন, ‘চোখের সামনে ফসল তলিয়ে যাবে ভাবিনি, এখন সারা বছর কিভাবে চলব তা বুঝতে পারছি না।’

এদিকে হুগলির হাওর ছাড়াও বাদেশ্বরা, বালি ও ব্যাঙ্গা হাওর চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। আরো ভারি বৃষ্টি হলে এসব এলাকার হাজার হাজার একর ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সুজাতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাদিকুর রহমান বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে বাঁধ উপচে বিভিন্ন হাওরে পানি প্রবেশ করছে, যার ফলে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দ্রুত সরকারি সহায়তা কামনা করেন।

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. আকতারুজ্জামান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে এবং তালিকা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন