০৯ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৯:১১

শিরোনাম
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ৯৪৬ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে ডাচ রাষ্ট্রদূতের বৈঠক জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মিশরের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ তুরস্কের সহায়তায় বগুড়ায় হবে ড্রোন নির্মাণ কারখানা: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম নিউইয়র্ক-ম্যানিলা-মালে সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
শিরোনাম
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ৯৪৬ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে ডাচ রাষ্ট্রদূতের বৈঠক জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মিশরের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ তুরস্কের সহায়তায় বগুড়ায় হবে ড্রোন নির্মাণ কারখানা: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম নিউইয়র্ক-ম্যানিলা-মালে সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের সহায়তায় এডিবির ৮৬.৭ মিলিয়ন ডলার ঋণ-অনুদান

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের সহায়তায় এডিবির ৮৬.৭ মিলিয়ন ডলার ঋণ-অনুদান

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১৮:১৩

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং তাদের আশ্রয়দাতা কক্সবাজারের স্থানীয়দের জন্য মৌলিক অবকাঠামো ও জরুরি সেবা উন্নয়নে ৫৮.৬ মিলিয়ন ডলারের অনুদান এবং ২৮.১ মিলিয়ন ডলারের স্বল্পসুদে ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

সোমবার ঢাকায় এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ সরকার ও এডিবি।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হোয়ে ইউন জিয়ং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১৮ সাল থেকে তারা রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ১৭১.৪ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিয়েছে।

‘ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিসেস অ্যান্ড লাইভলিহুড ফর ডিসপ্লেসড পিপল ফ্রম মিয়ানমার অ্যান্ড হোস্ট কমিউনিটিজ ইমপ্রুভমেন্ট’ প্রকল্পের আওতায় পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্য, সড়ক, সেতু, ড্রেনেজ, খাদ্য নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ ও দুর্যোগ সহনশীলতা উন্নয়ন করা হবে। কক্সবাজার ও ভাসানচরে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের জন্য আলাদা প্রক্রিয়ায় বিশেষ চাহিদা পূরণ করা হবে।

প্রকল্পে কক্সবাজারে সোলার স্ট্রিটলাইট স্থাপন, ভাসানচরে পয়ঃনিষ্কাশন পুনঃস্থাপন ও বায়োগ্যাস উৎপাদন, নারী ও শিশুদের জন্য খাদ্য বিতরণ কেন্দ্র এবং ড্রেনেজ খাল উন্নয়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। হাতিয়ায় বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র এবং কক্সবাজারের নয় উপজেলায় ক্ষুদ্র পাইপযুক্ত পানি সরবরাহ ব্যবস্থাও থাকবে।

টেকনাফের পানি সংকট নিরসনে পালংখালী ও উখিয়ায় পানি শোধনাগার ও পাইপলাইন নির্মাণ করা হবে। উন্নত সড়ক যোগাযোগে কক্সবাজার ও ভাসানচরে চলাচল সহজ হবে।

বর্তমানে কক্সবাজারের ৩৩টি শিবিরে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে, যাদের ৭৫ শতাংশই নারী ও শিশু। নোয়াখালীর ভাসানচরে ৩৬ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় স্থানান্তরিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন