১২ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০০:১৫

শিরোনাম
আবারো দেশে ৪ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ শিক্ষায়, সবচেয়ে কম ত্রাণে সরকারি চাকরিজীবিদের নতুন বেতন কাঠামো, বাড়তি ৪৬৪১ কোটি বরাদ্দ বাজেটে চমক, আসছে ৮ বড় জনকল্যাণ উদ্যোগ বাজেটে দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতুর ঘোষণা রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে চূড়ান্ত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ই-হেলথ কার্ড, গঠিত হবে জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে করছাড়, কমতে পারে নিত্যপণ্য ও চিকিৎসা খরচ
শিরোনাম
আবারো দেশে ৪ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ শিক্ষায়, সবচেয়ে কম ত্রাণে সরকারি চাকরিজীবিদের নতুন বেতন কাঠামো, বাড়তি ৪৬৪১ কোটি বরাদ্দ বাজেটে চমক, আসছে ৮ বড় জনকল্যাণ উদ্যোগ বাজেটে দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতুর ঘোষণা রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে চূড়ান্ত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ই-হেলথ কার্ড, গঠিত হবে জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে করছাড়, কমতে পারে নিত্যপণ্য ও চিকিৎসা খরচ

রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে চূড়ান্ত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট

রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে চূড়ান্ত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ জুন, ২০২৬, ১৮:১৮

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের অর্থবিল ও নির্দিষ্টকরণ বিলে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন অর্থবছরের বাজেট কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হলো।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তিনি বিলে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, অর্থসচিব মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করা হয়। পরে বাজেট-সংক্রান্ত নথিতে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রী।

সংসদ ভবনের নির্ধারিত গ্যালারি থেকে অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তব্যও শোনেন রাষ্ট্রপতি।

প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাদের প্রথম জাতীয় বাজেট।

নতুন বাজেটে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ, অনুদান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা থেকে সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বাজেটে সম্ভাব্য ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। এ ঘাটতি পূরণে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারের দাবি, নতুন এই বাজেটের মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনা, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে এগিয়ে নেওয়া।

প্রতিফলন/ এনজেএস

আরও পড়ুন