অনলাইনে মাদক বেচাকেনায় সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৭
সাইবার স্পেস বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে মাদকদ্রব্যের অবৈধ ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, প্রচার বা লেনদেন করলে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন। বিলের ওপর জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়।
বিদ্যমান আইনে নির্দিষ্ট শ্রেণি ও পরিমাণের মাদকদ্রব্য অবৈধ উৎপাদন, বিক্রি ও সেবনের দায়ে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। নতুন সংশোধনীতে ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত মাদক অপরাধ দমনে নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
পাস হওয়া আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সাইবার স্পেস, ডিজিটাল ডিভাইস, ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ইলেকট্রনিক যোগাযোগব্যবস্থা বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য বা সাইকোঅ্যাকটিভ সাবস্টেন্সের ক্রয়, বিক্রয়, সরবরাহ, প্রস্তাব, বিজ্ঞাপন, মধ্যস্থতা, যোগাযোগ বা এ-সংক্রান্ত অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
এ ছাড়া মাদক লেনদেনে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা, ই-ওয়ালেট, ভার্চ্যুয়াল সম্পদ বা ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করলেও তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
আইনে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীর কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার হওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
নতুন বিধান অনুযায়ী, সাইবার মাধ্যমে মাদক অপরাধের সাজা হতে পারে যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
আর যদি এ অপরাধ আন্তর্জাতিকভাবে বা কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের মাধ্যমে সংঘটিত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
এ ছাড়া সংশোধিত আইনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রাধিকার এবং ডগ স্কোয়াড গঠনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
মাদক অপরাধপ্রবণ এলাকায় পৃথক মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার বিধানও পুনরায় যুক্ত করা হয়েছে।
বিলের আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রতিফলন /রাশ
আরও পড়ুন
- • কমছে বৃষ্টির প্রবণতা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা: আবহাওয়া অফিস
- • ঢাবিতে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নতুন ঘোষণা
- • ১ আগস্ট থেকে শিশুদের জন্য ইপিআইতে যুক্ত হচ্ছে টাইফয়েড টিকা
- • শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
- • শতাধিক যুগ্মসচিবকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সংযুক্ত
- • মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত ছয় সংসদীয় কমিটি গঠন
- • গাজা সফরে ধ্বংসস্তূপ দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর,জানালেন নতুন পরিকল্পনা
- • হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় ২০ শতাংশ ফি চান ট্রাম্প
- • আর্জেন্টিনার পরবর্তী ম্যাচ কবে-কখন, প্রতিপক্ষ কে?
- • ‘চোরের দলের খেলা কবে’ লিখতেই আসছে আর্জেন্টিনার তথ্য!
- • সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
- • ধাপে ধাপে বাড়বে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন: প্রধানমন্ত্রী
- • স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় জানালেন জাহেদ উর রহমান
- • ইরানের ‘হত্যার তালিকায়’ আমার নাম এক নম্বরে: ট্রাম্প
- • আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে তদন্তে নামল এফবিআই
- • নিজভূমে চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
- • ইরানের সঙ্গে আর সম্পর্ক চাই না’, ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্পের কড়া বার্তা
- • একজোট হয়ে ইরানকে প্রতিহত করার ঘোষণা আরব দেশগুলোর
