০৯ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ০০:১৯

শিরোনাম
হাসনাতের উদ্যোগে দেবিদ্বারের ১৫২ শিক্ষার্থীর সংসদ পরিদর্শন কুমিল্লা বিমানবন্দরের দাবি জানালেন সংসদ সদস্য মনিরুল হক পাঁচ বছরে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে ২৪.১৬ বিলিয়ন ডলার: বাণিজ্যমন্ত্রী নতুন বাজেটে ফ্রিল্যান্সারদের কর ছাড়, সিগারেটে বাড়তে পারে শুল্ক সংসদ গ্রন্থাগার কমিটির ৪ নম্বর সাব-কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত সীমান্তে পুশইন প্রতিহতে শক্ত অবস্থানে বিজিবি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দেশে অপরাধ কমেছে, দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনে বিশ্বাসী সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
শিরোনাম
হাসনাতের উদ্যোগে দেবিদ্বারের ১৫২ শিক্ষার্থীর সংসদ পরিদর্শন কুমিল্লা বিমানবন্দরের দাবি জানালেন সংসদ সদস্য মনিরুল হক পাঁচ বছরে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে ২৪.১৬ বিলিয়ন ডলার: বাণিজ্যমন্ত্রী নতুন বাজেটে ফ্রিল্যান্সারদের কর ছাড়, সিগারেটে বাড়তে পারে শুল্ক সংসদ গ্রন্থাগার কমিটির ৪ নম্বর সাব-কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত সীমান্তে পুশইন প্রতিহতে শক্ত অবস্থানে বিজিবি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দেশে অপরাধ কমেছে, দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনে বিশ্বাসী সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

আছিয়া হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানির অপেক্ষায়

আছিয়া হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানির অপেক্ষায়

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮ জুন, ২০২৬, ১৭:১৮

 

মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার পেপারবুক হাইকোর্টে পৌঁছেছে। এখন মামলাটির শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করবেন প্রধান বিচারপতি।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন–সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, সোমবার (৮ জুন) ছাপাখানা থেকে পেপারবুক হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।

গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ তার মৃত্যু হয়।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে রাজপথেও বিচারের দাবিতে আন্দোলন গড়ে ওঠে।

শিশু আছিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আসামি হিটু শেখকে গত ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। রায়ের চার দিন পর মামলার ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পৌঁছায়।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কাজী জাহেদ ইকবাল বলেন, সাধারণত হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ডের মামলাগুলোর শুনানি বছরের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী হয়ে থাকে। বর্তমানে চার থেকে পাঁচ বছরের মতো মামলার জট রয়েছে।

তবে তিনি বলেন, মামলাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় প্রধান বিচারপতি চাইলে আলাদা বেঞ্চ গঠন করতে পারেন। একইসঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রসিকিউশনও বিশেষ আবেদন করতে পারে।

আরও পড়ুন