২০ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ১১:১৫

শিরোনাম
ই-পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের ছবি সমুদ্রে উদ্ধার অভিযান জোরদারে কোস্টগার্ডে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক হেলিকপ্টার যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী পাসপোর্টের নকশায় পরিবর্তন, থাকছে আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের ছবি গ্যাসের দাম বাড়ানোর নতুন তোড়জোড় 'জুলাই চেতনা' বিক্রি করে রাজনীতি বেশিদিন টিকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে ফলের ক্যারেটে লুকানো ১৬ কেজি স্বর্ণ জব্দ সবুজ গণপরিবহনে বড় উদ্যোগ, ইলেকট্রিক বাসের জন্য ৪০০ কোটি টাকা চাইল বিআরটিসি
শিরোনাম
ই-পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের ছবি সমুদ্রে উদ্ধার অভিযান জোরদারে কোস্টগার্ডে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক হেলিকপ্টার যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী পাসপোর্টের নকশায় পরিবর্তন, থাকছে আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের ছবি গ্যাসের দাম বাড়ানোর নতুন তোড়জোড় 'জুলাই চেতনা' বিক্রি করে রাজনীতি বেশিদিন টিকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে ফলের ক্যারেটে লুকানো ১৬ কেজি স্বর্ণ জব্দ সবুজ গণপরিবহনে বড় উদ্যোগ, ইলেকট্রিক বাসের জন্য ৪০০ কোটি টাকা চাইল বিআরটিসি

শেখ হাসিনার নির্দেশে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ, প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা

শেখ হাসিনার নির্দেশে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ, প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২০:১৩

২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে চালানো বর্বরোচিত অভিযান ও হত্যাযজ্ঞের ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) তদন্ত সংস্থা।

আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘ তদন্ত শেষে এই হত্যাকাণ্ডের মূল নির্দেশদাতা হিসেবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি সংশ্লিষ্টতার অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং তৎকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অন্তত ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেদিন রাতের অন্ধকারে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে নিরীহ মাদ্রাসার ছাত্র ও তৌহিদী জনতার ওপর যে নারকীয় তাণ্ডব চালানো হয়েছিল, তা ছিল একটি পরিকল্পিত 'গণহত্যা' ও 'মানবতাবিরোধী অপরাধ'।

তদন্ত সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, এই প্রতিবেদনে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, ভুক্তভোগী পরিবার এবং অপারেশনাল নথিপত্র বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে যে, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মারমুখী অভিযান পরিচালনা করে। প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, নিহতের সংখ্যা গোপনের জন্য যে পদ্ধতিগত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল, সেটিরও প্রমাণ পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শাপলা চত্বরের এই ঘটনা নিয়ে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। এর আগে ৫ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনাল এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় বৃদ্ধি করেছিলেন। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি তদন্ত সংস্থা তাদের কাজ শেষ করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করল। 

আরও পড়ুন