২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৫:০৫

শিরোনাম
৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন নয়, জানালেন মির্জা ফখরুল ২০২৭ হজে খরচ কমাতে সৌদির কাছে বাংলাদেশের অনুরোধ ডিসেম্বরে উদ্বোধনের লক্ষ্যে এগোচ্ছে থার্ড টার্মিনাল: বেবিচক সাজাপ্রাপ্ত সব পলাতক আসামিকে দেশে ফেরানো হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের গুলশানের ফ্ল্যাটে দুদকের দ্বিতীয় দিনের অভিযান
শিরোনাম
৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন নয়, জানালেন মির্জা ফখরুল ২০২৭ হজে খরচ কমাতে সৌদির কাছে বাংলাদেশের অনুরোধ ডিসেম্বরে উদ্বোধনের লক্ষ্যে এগোচ্ছে থার্ড টার্মিনাল: বেবিচক সাজাপ্রাপ্ত সব পলাতক আসামিকে দেশে ফেরানো হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের গুলশানের ফ্ল্যাটে দুদকের দ্বিতীয় দিনের অভিযান

সমুদ্রে উদ্ধার অভিযান জোরদারে কোস্টগার্ডে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক হেলিকপ্টার

সমুদ্রে উদ্ধার অভিযান জোরদারে কোস্টগার্ডে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক হেলিকপ্টার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৭

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি মিডিয়াম সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (এমএসএআর) হেলিকপ্টার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে হেলিকপ্টার দুটি কেনা হবে এবং চূড়ান্ত মূল্য দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারণ করা হবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিন অর্থবছরে ধাপে ধাপে প্রকল্পের অর্থ পরিশোধ করা হবে। ২০২৬–২৭ অর্থবছরে ১০০ কোটি টাকা, ২০২৭–২৮ অর্থবছরে ২০০ কোটি টাকা এবং ২০২৮–২৯ অর্থবছরে আরও ২০০ কোটি টাকা পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে।

যেসব কাজে ব্যবহৃত হবে

হেলিকপ্টার দুটি মূলত সমুদ্রে অনুসন্ধান ও উদ্ধার (Maritime Search and Rescue), উপকূল ও সমুদ্রসীমায় নজরদারি, দ্রুত উদ্ধার অভিযান, মেডিকেল ইভাকুয়েশন (MEDEVAC), দুর্যোগ-পরবর্তী উদ্ধার, জাহাজ দুর্ঘটনায় অনুসন্ধান ও উদ্ধার এবং উপকূলীয় এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার অভিযানে ব্যবহৃত হবে।

যদিও এখনো কোনো নির্দিষ্ট মডেল চূড়ান্ত হয়নি, আন্তর্জাতিক মানের এমএসএআর হেলিকপ্টারে সাধারণত সার্চ রাডার, ফরওয়ার্ড লুকিং ইনফ্রারেড (FLIR) থার্মাল ক্যামেরা, আধুনিক নেভিগেশন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, রাতের অভিযানের সক্ষমতা, রেসকিউ হোইস্ট, লাইফ র্যাফট বহনের সুবিধা এবং মেডিকেল ইভাকুয়েশন সরঞ্জাম থাকে।

নৌবাহিনীর সহায়তায় পরিচালনা

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের নিজস্ব অ্যাভিয়েশন ইউনিট এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে গড়ে না ওঠায় প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হবে।

নিজস্ব সক্ষমতা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত নৌবাহিনীর নেভাল অ্যাভিয়েশন ইউনিট হেলিকপ্টার পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ, হ্যাঙ্গার সুবিধা, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল, কারিগরি সহায়তা এবং কোস্টগার্ডের পাইলট ও ক্রুদের প্রশিক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে।

রূপকল্প-২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ

জানা গেছে, ২০১৬ সালে কোস্টগার্ডের জন্য চারটি হেলিকপ্টার সংগ্রহের পরিকল্পনা নেওয়া হলেও বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় প্রথম ধাপে দুটি হেলিকপ্টার কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এটি কোস্টগার্ড রূপকল্প-২০৩০-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভবিষ্যতে বাহিনীতে অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল (ওপিভি), হোভারক্রাফট, ড্রোন এবং অন্যান্য আধুনিক সরঞ্জাম যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

দুটি এমএসএআর হেলিকপ্টার যুক্ত হলে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড প্রথমবারের মতো কার্যকর আকাশ সক্ষমতা অর্জনের পথে বড় অগ্রগতি করবে। এর ফলে বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, সীমান্ত নিরাপত্তা, সামুদ্রিক আইন প্রয়োগ এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বাহিনীটির সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন