১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ১২:৪২

শিরোনাম
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে তুরস্ক সফরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে সিলেটে খনন হচ্ছে নতুন ৩ কূপ দুই দিনের সফরে ঢাকায় আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং ২০২৬’ শুরু আজ রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন
শিরোনাম
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে তুরস্ক সফরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে সিলেটে খনন হচ্ছে নতুন ৩ কূপ দুই দিনের সফরে ঢাকায় আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং ২০২৬’ শুরু আজ রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন

মার্কিন হামলা অব্যাহত থাকলে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের হুঁশিয়ারি ইরানের

মার্কিন হামলা অব্যাহত থাকলে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের হুঁশিয়ারি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১৪:১৪

যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অব্যাহত থাকলে ‘পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান’ শুরু করা হবে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবির বরাতে জানা গেছে, সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে রেজায়ি বলেন, ইরান আর শুধু হামলার জবাবে সমপর্যায়ের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকবে না।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়ে গেলে কোনো রাজনৈতিক সীমান্তই আর নিরাপদ থাকবে না।”

মোহসেন রেজায়ি আরও বলেন, চলমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধের মধ্যেই আলোচনার নীতি কার্যত শেষ হয়ে গেছে। তার ভাষায়, “যুদ্ধ চলাকালে আলোচনার নীতি এখন শেষ হয়ে গেছে।”

তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত ইরান সংঘাতের পরিধি বাড়ানো বা অন্য কোনো দেশে হামলা চালানোর পথে হাঁটেনি। বরং তাদের মূল লক্ষ্য ছিল প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং সংঘাতের অবসান ঘটানো।

রেজায়ি বলেন, “এখন পর্যন্ত আমাদের উদ্দেশ্য ছিল সংঘাতের বিস্তার নয়, বরং প্রতিরোধ সৃষ্টি করে যুদ্ধের ইতি টানা। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণও আমরা সেই লক্ষ্যেই নিয়েছি।”

ইরানের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হলে এর প্রভাব গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর পড়তে পারে।

আরও পড়ুন