০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩:৫১

শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’
শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’

ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযানের বিকল্প বিবেচনায় ট্রাম্প

ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযানের বিকল্প বিবেচনায় ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৪

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে পুনরায় পূর্ণমাত্রার সামরিক সংঘাতে জড়ানোর সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা করেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে ইরান-সংক্রান্ত বিভিন্ন সামরিক বিকল্প সম্পর্কে অবহিত করেছেন। তবে ট্রাম্পের আশঙ্কা, নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু হলে তা কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

এ কারণে কাতারে চলমান পরোক্ষ আলোচনা আগামী ১৮ আগস্ট শেষ হওয়ার নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমার পরও চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যমান সাময়িক সমঝোতার শর্ত ইরান লঙ্ঘন করলে দেশটির নির্দিষ্ট সামরিক বা কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে সীমিত পরিসরে হামলা চালানোর নীতিতেই আপাতত সন্তুষ্ট রয়েছে ওয়াশিংটন।

এদিকে সম্ভাব্য সমঝোতার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। ইরান জানিয়েছে, আপাতত তারা অঞ্চলে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ দূতদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে না। ইরানি কর্মকর্তাদের ভাষ্য, পারমাণবিক কর্মসূচিসহ জটিল ইস্যুতে আলোচনার আগে দুই সপ্তাহ আগে হওয়া যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো স্পষ্ট করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এতে প্রাথমিক সমঝোতার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়েছে। আলোচনার একটি প্রস্তাবিত কাঠামোয় আর্থিক প্রণোদনার বিনিময়ে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কঠোর নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার বিষয়টি ছিল। পাশাপাশি একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে ৬০ দিনের আলোচনা চালানোর প্রস্তাবও ছিল।

যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেত। বর্তমানে এই জলপথে আংশিকভাবে জাহাজ চলাচল আবার শুরু হয়েছে।

তবে ইরানের দাবি, হরমুজ প্রণালির অপর তীরে থাকা ওমানের পাশাপাশি এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পরিচালনায় তাদেরও সার্বভৌম অধিকার রয়েছে। ৬০ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আগস্টের মাঝামাঝি থেকে সেখানে টোল বা সেবা ফি আদায়ের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে তেহরান।

ইরানের শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, হরমুজ প্রণালির সার্বভৌমত্ব ইরান ও ওমানের হাতে এবং এই নৌপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নির্ধারিত ব্যবস্থার আওতায় পরিচালিত হবে।

অন্যদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানকে টোল আদায়ের সুযোগ দেওয়া হবে না। দ্য মাইকেল নোলস শো-তে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক এই নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে ইরান টোল আদায় করবে—এমন পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না।

আরও পড়ুন