০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩:৫২

শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’
শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’

দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন

দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ জুলাই, ২০২৬, ১৩:৩৫

দেশের প্রতিটি জেলাকে ধাপে ধাপে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে কয়েকটি নতুন রেলপথের সমীক্ষা শেষ হয়েছে। তবে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ জানিয়েছেন, ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণের সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ২৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে প্রকল্পটির অর্থায়নের উৎস খোঁজা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত রেলপথটি ভাঙ্গা থেকে গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, বরিশাল, ঝালকাঠি, বরগুনা হয়ে পটুয়াখালী পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এর মাধ্যমে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটাকে রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় পায়রা বন্দরের অর্থনৈতিক অঞ্চলকে কেন্দ্র করে একটি সমন্বিত যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনায় বরিশালে একটি মাল্টিমোডাল হাব, ১৯টি বড় স্টেশন, প্রায় ১৭ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ এবং নদী-খাল অতিক্রমে ৪৬টি সেতু নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। কিছু স্থানে আন্ডারপাসও নির্মাণ করা হবে, যাতে সড়ক ও রেল চলাচল নির্বিঘ্ন থাকে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে রেল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা জেলাগুলোতেও নতুন রেলপথ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে শিগগির সমীক্ষা শুরু হবে। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী দেশের সব জেলাকে পর্যায়ক্রমে রেল সংযোগের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, বিশেষ করে পায়রা বন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা এবং ভোলা, যেগুলো এখনো রেল নেটওয়ার্কের বাইরে রয়েছে, সেগুলোকেও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তবে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু যাত্রী পরিবহনের কথা বিবেচনা করে নয়, পণ্য পরিবহন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করেই নতুন রেল প্রকল্প বাস্তবায়ন করা উচিত।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান বলেন, পায়রা বন্দরকে ঘিরে কার্যকর আমদানি-রপ্তানি করিডোর গড়ে তুলতে ফরওয়ার্ড ও ব্যাকওয়ার্ড লিংক নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বড় অঙ্কের বিনিয়োগ অর্থনৈতিকভাবে প্রত্যাশিত সুফল নাও দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ভূমি ব্যবহারের পরিকল্পনা এবং পরিবহন পরিকল্পনার মধ্যে সমন্বয় না থাকলে নতুন রেলপথ নির্মাণ হলেও তার পূর্ণ অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব হবে না।

বর্তমানে দেশে প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে, যার মাধ্যমে ৪৮টি জেলা রেল নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে। সরকারের আশা, নতুন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের রেল যোগাযোগ আরও বিস্তৃত হবে।

আরও পড়ুন