০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩:৫১

শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’
শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’

আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’

আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩২

দেশে ডিজিটাল লেনদেন আরও সহজ, সাশ্রয়ী ও সর্বজনীন করতে আজ বুধবার থেকে ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এই ব্যবস্থায় দোকানে আলাদা আলাদা মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা বা ব্যাংকের কিউআর কোডের পরিবর্তে একটি অভিন্ন কিউআর কোড ব্যবহার করা হবে। ফলে বিকাশ, নগদ, রকেট বা যেকোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে একই কিউআর স্ক্যান করে অর্থ পরিশোধ করা যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, দেশের পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আধুনিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বচ্ছ করতে ‘বাংলা কিউআর’ চালু করা হয়েছে। ১ জুলাই থেকে এটি সারা দেশে বাধ্যতামূলক হওয়ায় শপিং মল থেকে শুরু করে ছোট দোকান কিংবা ফুটপাতের ব্যবসায়ীরাও একই ধরনের কিউআর কোডের মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলা কিউআরের বড় সুবিধা হলো এর কম খরচ। প্রচলিত কার্ডভিত্তিক লেনদেনের জন্য যেখানে ব্যয়বহুল পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিনের প্রয়োজন হয়, সেখানে একটি সাধারণ কিউআর স্টিকার দিয়েই অর্থ গ্রহণ সম্ভব। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও সহজে ডিজিটাল লেনদেনের আওতায় আসবেন।

নিরাপত্তার দিক থেকেও এ ব্যবস্থাকে কার্যকর বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গ্রাহক নিজের ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার অ্যাপ থেকেই সরাসরি অর্থ পরিশোধ করবেন। ফলে কার্ড ক্লোনিং বা পিন চুরির মতো ঝুঁকিও কমবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, এত দিন কোনো দোকানে নির্দিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানের কিউআর কোড থাকলে অন্য প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা সেটি ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধ করতে পারতেন না। এখন সেই সীমাবদ্ধতা থাকবে না। বাংলা কিউআরের মাধ্যমে একটি অভিন্ন কিউআর স্ক্যান করে বিকাশ, নগদ, রকেট কিংবা ব্যাংক—যেকোনো মাধ্যম থেকেই পেমেন্ট করা যাবে।

বাংলা কিউআর বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকগুলো।

বিকাশের করপোরেট কমিউনিকেশন্স প্রধান শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম বলেন, দেশের সব মার্চেন্ট পয়েন্টে অভিন্ন বাংলা কিউআর চালু হলে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা আরও বিস্তৃত হবে। এতে গ্রাহকরা দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে নগদ অর্থ ছাড়াই লেনদেন করতে পারবেন। একই সঙ্গে ভাঙতি টাকা বা নগদ অর্থ বহনের প্রয়োজনও কমবে। ব্যবসায়ীরাও সহজে অর্থ গ্রহণ ও হিসাব ব্যবস্থাপনা করতে পারবেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশের সব মার্চেন্ট পয়েন্টে দ্রুত বাংলা কিউআর চালুর কাজ করছে বিকাশ। এ জন্য বিদ্যমান কিউআর কোড প্রতিস্থাপনের কার্যক্রম চলছে।

এনআরবিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল কাইয়ুম খান বলেন, গ্রাহকের পেমেন্টের সুবিধা (ইস্যুয়িং) এবং ব্যবসায়ীদের কাছে কিউআর পৌঁছে দেওয়া (অ্যাকোয়ারিং) উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাংক প্রস্তুত। ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যবসায়ীকে বাংলা কিউআরের আওতায় আনা হয়েছে এবং প্রতিদিন কোটি টাকার বেশি লেনদেন হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন