০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩:৫৪

শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’
শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’

শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে ছত্রাকধরা পাউরুটি, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে ছত্রাকধরা পাউরুটি, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ জুলাই, ২০২৬, ২০:৩২

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবারের মান নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ পুষ্টিকর খাদ্যের পরিবর্তে পচা ডিম, নিম্নমানের কলা এবং ছত্রাকযুক্ত পাউরুটি সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। অভিযোগের তীর সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘সুশীলন’-এর দিকে।

তথ্য অনুযায়ী, গাংনী উপজেলার ১৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১৮ হাজার ৩৪৭ জন শিক্ষার্থী এই কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত পাউরুটি, ডিম, কলা, দুধ ও বিস্কুট পেয়ে থাকে। শুরুতে খাবারের মান সন্তোষজনক থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে এর মান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার বাঁশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, সরবরাহ করা ডিমের মধ্যে বেশ কয়েকটি নষ্ট ছিল। পাশাপাশি কিছু পাউরুটিতে ছত্রাকের উপস্থিতিও চোখে পড়ে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, এমন নিম্নমানের খাবার নতুন নয়। পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী জানায়, তার পাওয়া ডিমটি ভাঙার পর তীব্র দুর্গন্ধ বের হওয়ায় সেটি ফেলে দিতে হয়েছে। চতুর্থ শ্রেণির আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, কিছু ডিমের ভেতরে কুসুমের পরিবর্তে কালচে তরল ও দুর্গন্ধ ছিল। তাদের দাবি, এর আগেও এই প্রকল্পের দুধ পান করে কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম বলেন, প্রায়ই নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। বিষয়টি একাধিকবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কার্যকর সমাধান হয়নি। তার অভিযোগ, এসব খাবার খেয়ে অনেক শিক্ষার্থী পেটের সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছে।

অন্যদিকে, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের এরিয়া ব্যবস্থাপক সুমন পচা ডিম সরবরাহের অভিযোগ স্বীকার করে জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর নষ্ট ডিমগুলো পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। তবে পাউরুটিতে ছত্রাক থাকার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। তার দাবি, অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের জন্য খাবার সংরক্ষণ করার কারণে খাবারের মান নষ্ট হয়ে থাকতে পারে।

এ বিষয়ে মেহেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুকুমার মৈত্র জানান, তার দপ্তরে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন