০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩:৫৪

শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’
শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’

রৌমারী সীমান্তে ১৭ দিন শূন্যরেখায় থাকার পর তিন বাংলাদেশি নিখোঁজ

রৌমারী সীমান্তে ১৭ দিন শূন্যরেখায় থাকার পর তিন বাংলাদেশি নিখোঁজ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ জুলাই, ২০২৬, ১৬:৪১

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ইজলামারী ভুন্দুরচর সীমান্তে টানা ১৭ দিন শূন্যরেখায় অবস্থান করার পর তিন বাংলাদেশি নাগরিক নিখোঁজ হয়েছেন। বুধবার ভোর থেকে তাঁদের আর সীমান্ত এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য রুহুল আমিন বলেন, বুধবার সকাল থেকে ওই তিন যুবককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি ইজলামারী বিজিবি ক্যাম্পকে জানানো হলেও তাঁদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুন ভোরে রৌমারী সদর ইউনিয়নের ইজলামারী ভুন্দুরচর সীমান্তের ১০৬৬ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে কালাপানি জিঞ্জিরাম নদীর সেতুর নিচ দিয়ে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)–এর সদস্যরা তিন বাংলাদেশিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেন। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয়দের বাধায় সেই চেষ্টা সফল হয়নি।

পরে বিএসএফ সদস্যরা তাঁদের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে কালাপানি জিঞ্জিরাম নদীর তীরে রেখে যায়। এরপর বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে একাধিক পতাকা বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি। ফলে তিনজনই দীর্ঘ ১৭ দিন সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন, সুনামগঞ্জ–এর তাহিরপুর উপজেলার কাউকান্দী গ্রামের মো. জহিরুল ইসলাম (২৬), নেত্রকোনা–এর বারহাট্টা উপজেলার সাওতা গ্রামের মো. পারভেজ মিয়া (২১) এবং ময়মনসিংহ–এর ভালুকা উপজেলার কাউছিয়া গ্রামের মো. নাঈম আহমেদ (২২)।

এর আগে একই দিন রৌমারীর গয়টাপাড়া ও ইজলামারী সীমান্তে পৃথক দুই ঘটনায় মোট নয় বাংলাদেশিকে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। স্থানীয়দের বাধা ও বিজিবির অবস্থানের কারণে তাঁরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি।

গয়টাপাড়া সীমান্তে থাকা ছয়জনের মধ্যে বিল্লাল হোসেন, তাঁর স্ত্রী সুমি আক্তার ও তাঁদের দুই সন্তানকে পরে রৌমারী থানায় হস্তান্তর করা হলে মানবিক বিবেচনায় পরিবারের কাছে পাঠানো হয়। কয়েক দিন পর একই দলের অপর দুই সদস্য সজিব ও হিমেলও সেখান থেকে চলে যান।

অন্যদিকে, ভুন্দুরচর সীমান্তে অবস্থানরত জহিরুল, পারভেজ ও নাঈম অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের পর আটক হয়েছিলেন। পরে বিএসএফ তাঁদের বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করলে তাঁরা শূন্যরেখায় অবস্থান করছিলেন। বুধবার ভোর থেকে তাঁদের আর সেখানে দেখা যাচ্ছে না।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ–এর জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক হাসানুর রহমান বলেন, শূন্যরেখায় অবস্থান করা তিন যুবককে বুধবার ভোর থেকে আর দেখা যাচ্ছে না। তাঁদের সন্ধানে বিজিবির অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন