০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩:৫৪

শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’
শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’

‘এখনো মেয়ের ডাক শুনি’, রামিসার মায়ের কান্নায় ভারী হাসপাতালের পরিবেশ

‘এখনো মেয়ের ডাক শুনি’, রামিসার মায়ের কান্নায় ভারী হাসপাতালের পরিবেশ

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ জুলাই, ২০২৬, ২০:১৯

নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নিহত রামিসার শোকাহত মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার খোঁজ নিতে বুধবার রাজধানীর একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে যান বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মেয়েকে হারানোর গভীর শোক ও মানসিক আঘাতে অসুস্থ হয়ে পড়ায় গত ২৩ জুন তাকে অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মানসিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি তিনি পরিপাকতন্ত্র, স্নায়বিক সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।

চিকিৎসার অংশ হিসেবে তার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। এর মধ্যে এমআরআই, আল্ট্রাসনোগ্রামসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরীক্ষাও রয়েছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, রোগীর মানসিক সুস্থতা ফিরিয়ে আনতে ইতোমধ্যে দুই দফা কাউন্সেলিং করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে।

অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম হাসপাতালে পৌঁছালে আবেগে ভেঙে পড়েন রামিসার মা। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি জানান, এখনো প্রতিদিন মেয়ের ডাক শুনতে পান বলে তার মনে হয়। মেয়েকে হারানোর বেদনার কথা বলতে গিয়ে তিনি বারবার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

এ সময় রামিসার বাবা চিকিৎসকদের কাছে স্ত্রীকে সুস্থ করে তোলার আবেদন জানান। তার আবেগঘন বক্তব্যে হাসপাতালের পরিবেশ ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান ও ধারাবাহিক চিকিৎসায় রামিসার মায়ের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো তিনি মানসিক ও শারীরিক নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে।

পরিবারের অনুরোধে এবং ছোট মেয়ের দেখাশোনার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় বুধবার তাকে হাসপাতাল থেকে বাসায় পাঠানো হয়েছে। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং মানসিক পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রামিসার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

আরও পড়ুন