০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩:৫৩

শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’
শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’

হরমুজ প্রণালি ইরানের কৌশলগত শক্তির প্রতীক: গালিবাফ

হরমুজ প্রণালি ইরানের কৌশলগত শক্তির প্রতীক: গালিবাফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৮

হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে ইরানের জন্য ‘সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত উপহার’ এবং ‘সবচেয়ে বড় কৌশলগত শক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এ বিষয়ে তেহরান এক চুলও পিছু হটবে না।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গালিবাফ বলেন, হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার অংশ। এই জলপথকে কেন্দ্র করে ইরান সামরিকীকরণ করছে—এমন অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না।

তিনি জানান, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা স্মারকে হরমুজ প্রণালিতে ফি মওকুফের বিষয়ে ৬০ দিনের একটি সাময়িক ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে এটি কোনো স্থায়ী সমঝোতা নয় এবং ইরানের সার্বভৌম অবস্থানের সঙ্গে এর কোনো বিরোধ নেই।

গালিবাফ আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি পরিচালনার বিষয়ে ইরান ও প্রতিবেশী ওমান ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় চুক্তিতে পৌঁছেছে। তবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ভবিষ্যৎ আলোচনা নির্ভর করবে সমঝোতা স্মারকের মূল পাঁচটি শর্ত বাস্তবায়নের ওপর। এসব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় আর এগোবে না তেহরান।

ইরানের দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ করা, ইরানের তেল রপ্তানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ দ্রুত মুক্ত করে দেওয়া।

এদিকে, সম্ভাব্য সামরিক উত্তেজনা এড়াতে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং লেবানন যৌথভাবে একটি ‘ডি-কনফ্লিক্ট সেল’ বা সংঘাত নিরসন কেন্দ্র গঠনে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে নিজেদের প্রতিনিধি মনোনীত করেছে। বৈরুতও শিগগিরই প্রতিনিধি নিয়োগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিনিধি নিয়োগ সম্পন্ন হলে এই সমন্বয় কেন্দ্র আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করবে।

গালিবাফ দাবি করেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমঝোতা স্মারকের মূল উদ্দেশ্য লেবাননের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে হওয়া পৃথক যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে তিনি ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চুক্তি’ বলে মন্তব্য করেন।

সূত্র: আল জাজিরা

আরও পড়ুন