১৩ জুন ২০২৬, শনিবার, ১৭:০৮

শিরোনাম
হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে ৮৫ হাজার ছাড়াল বিড়াল বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শাহবাগে মেট্রোরেল বন্ধ ২৫ মিনিট, যাত্রী ভোগান্তি চরমে কক্সবাজার সফরে পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বার কাউন্সিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণদের তালিকা ঘোষণা মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮৬ জন নিহত, বিআরটিএ প্রতিবেদন ঢাকা হবে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম বিনিয়োগ কেন্দ্র:পররাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগস্টের শেষে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
শিরোনাম
হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে ৮৫ হাজার ছাড়াল বিড়াল বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শাহবাগে মেট্রোরেল বন্ধ ২৫ মিনিট, যাত্রী ভোগান্তি চরমে কক্সবাজার সফরে পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বার কাউন্সিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণদের তালিকা ঘোষণা মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮৬ জন নিহত, বিআরটিএ প্রতিবেদন ঢাকা হবে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম বিনিয়োগ কেন্দ্র:পররাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগস্টের শেষে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

জেনেটিক ঝুঁকির সতর্কবার্তা: খালাতো–চাচাতো বিয়েতে বাড়ছে উদ্বেগ

জেনেটিক ঝুঁকির সতর্কবার্তা: খালাতো–চাচাতো বিয়েতে বাড়ছে উদ্বেগ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ জুন, ২০২৬, ১৫:৪০

খালাতো–চাচাতো ভাইবোন বা রক্তসম্পর্কের মধ্যে বিয়েতে সন্তানদের মধ্যে কিছু জিনগত রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে বলে সাম্প্রতিক চিকিৎসা গবেষণায় উঠে এসেছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গবেষণা প্রকল্প ‘বর্ন ইন ব্র্যাডফোর্ড’-এর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এ ধরনের বিয়েতে জন্ম নেওয়া শিশুদের মধ্যে সিস্টিক ফাইব্রোসিস ও সিকেল সেল অ্যানিমিয়ার মতো গুরুতর বংশগত রোগের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

জেনেটিক নিয়ম অনুযায়ী, বাবা–মা উভয়েই যদি একই ত্রুটিপূর্ণ জিন বহন করেন, তাহলে সন্তানের সেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। সাধারণ জনগোষ্ঠীর তুলনায় কাজিনদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ, যা প্রায় ৬ শতাংশের কাছাকাছি।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, শুধু নির্দিষ্ট জিনগত রোগই নয়, রক্তসম্পর্কের মধ্যে বিয়ের কারণে শিশুদের ভাষা ও কথা বলার বিকাশে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার হারও তুলনামূলকভাবে বেশি হয়।

গবেষক অধ্যাপক স্যাম ওডি জানিয়েছেন, শুধু কাজিন বিয়েই নয়, একই ঘনিষ্ঠ সম্প্রদায়ের মধ্যে বিয়ে বা ‘এন্ডোগ্যামি’র কারণেও এ ধরনের জিনগত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এই স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি এখন ইউরোপজুড়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। নরওয়ে ও সুইডেন ইতিমধ্যেই কাজিনদের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ করেছে। নরওয়ের আইনপ্রণেতাদের মতে, এ ধরনের বিয়ের সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে ও সম্মানজনিত সহিংসতার ঝুঁকিও যুক্ত থাকতে পারে।

অন্যদিকে যুক্তরাজ্যে বিষয়টি নিষিদ্ধ করার দাবিতে একটি বেসরকারি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার এখনই নিষেধাজ্ঞার পথে না গিয়ে জেনেটিক কাউন্সেলিং ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে।

ঐতিহাসিকভাবে ইউরোপে, এমনকি ব্রিটিশ রাজপরিবার ও চার্লস ডারউইনের সময়েও এ ধরনের বিয়ের প্রচলন ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সচেতনতা বাড়ায় বর্তমানে এর হার অনেক কমে এসেছে। ব্র্যাডফোর্ডে ২০০০-এর দশকের শেষ দিকে কাজিন বিয়ের হার ৩৯ শতাংশ থাকলেও বর্তমানে তা কমে ২৭ শতাংশে নেমে এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আইন করে নিষিদ্ধ করার চেয়ে শিক্ষা ও জেনেটিক সচেতনতা বাড়ানোই এ ধরনের প্রথা কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

আরও পড়ুন