০৪ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ১৭:৫৪

শিরোনাম
বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলে নতুন নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ ৯০ দিনের মজুতের লক্ষ্যে প্রায় ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার রেলের আধুনিকায়নে বড় পরিকল্পনা, বাড়ছে কোচ-লোকোমোটিভ সরকারি চাকরিতে বেতন বৃদ্ধি: মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ অর্থনীতিবিদদের বাংলাদেশের গম আমদানির সবচেয়ে বড় উৎসে পরিণত হয়েছে আর্জেন্টিনা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আজ স্মরণসভা, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শিরোনাম
বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলে নতুন নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ ৯০ দিনের মজুতের লক্ষ্যে প্রায় ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার রেলের আধুনিকায়নে বড় পরিকল্পনা, বাড়ছে কোচ-লোকোমোটিভ সরকারি চাকরিতে বেতন বৃদ্ধি: মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ অর্থনীতিবিদদের বাংলাদেশের গম আমদানির সবচেয়ে বড় উৎসে পরিণত হয়েছে আর্জেন্টিনা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আজ স্মরণসভা, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জামিনে মুক্ত বিডিআরের ৮ সাবেক সদস্য

জামিনে মুক্ত বিডিআরের ৮ সাবেক সদস্য

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২ মে, ২০২৬, ১৯:২৬

২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় কারাবন্দি থাকা আট সাবেক বিডিআর সদস্য জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার (১ মে) গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তারা মুক্তি পান। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি ইউনিট থেকে একজন এবং কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ থেকে সাতজনকে মুক্তি দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের জেল সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন।

তিনি জানান, তার কারাগার থেকে একজন বন্দি মুক্তি পেয়েছেন এবং বাকি সাতজন অন্য ইউনিট থেকে মুক্তি পান।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক মামলার আট আসামির জামিননামা কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় কারাফটকে বন্দিদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২-এর জেল সুপার হালিমা খাতুন জানান, যাচাই-বাছাই শেষে শুক্রবার সকালে একজন এবং বিকেলে ছয়জনকে তার কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা করা হয়। হত্যা মামলার বিচার শেষে ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ৮৫০ জনের রায় ঘোষণা করা হয়।

এতে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। এ ছাড়া ২৭৮ জন খালাস পান।

আরও পড়ুন