০৯ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৩:৩৫

শিরোনাম
নতুন উপজেলা পেল তিন জেলা, প্রজ্ঞাপন জারি বৈশ্বিক নিরাপত্তায় প্রযুক্তিনির্ভর জাতিসংঘ পুলিশ চায় বাংলাদেশ আপিল বিভাগের রায়ে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান বাংলাদেশ-তাজিকিস্তান বৈঠক, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করার বার্তা তিন মন্ত্রী না থাকায় সংসদে প্রশ্নোত্তর স্থগিত সাংবাদিক নিবন্ধনের উদ্যোগ, বদলাচ্ছে প্রেস কাউন্সিল আইন সংসদের আর্থিক তদারকিতে নতুন নেতৃত্ব বিনামূল্যে প্রাথমিক সেবা পাবে সবাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
শিরোনাম
নতুন উপজেলা পেল তিন জেলা, প্রজ্ঞাপন জারি বৈশ্বিক নিরাপত্তায় প্রযুক্তিনির্ভর জাতিসংঘ পুলিশ চায় বাংলাদেশ আপিল বিভাগের রায়ে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান বাংলাদেশ-তাজিকিস্তান বৈঠক, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করার বার্তা তিন মন্ত্রী না থাকায় সংসদে প্রশ্নোত্তর স্থগিত সাংবাদিক নিবন্ধনের উদ্যোগ, বদলাচ্ছে প্রেস কাউন্সিল আইন সংসদের আর্থিক তদারকিতে নতুন নেতৃত্ব বিনামূল্যে প্রাথমিক সেবা পাবে সবাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

হজ ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন, ভোগান্তি কমেছে হাজিদের

হজ ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন, ভোগান্তি কমেছে হাজিদের

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৫

চলতি বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। দীর্ঘদিনের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও অতিরিক্ত খরচের অভিযোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সরকারের কঠোর নজরদারি, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং প্রশাসনের সরাসরি তদারকির কারণে হজযাত্রীদের ভোগান্তি কমেছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শুরু থেকেই পুরো হজ ব্যবস্থাপনা ছিল নিবিড় পর্যবেক্ষণের আওতায়। মক্কা, মদিনা ও জেদ্দায় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসনিক দল নিয়মিতভাবে হজযাত্রীদের সেবা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানে ব্যবস্থা নিয়েছে।

এবার হজ ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে বেসরকারি এজেন্সি নিয়ন্ত্রণে। অতীতে যেসব অনিয়ম ও অতিরিক্ত খরচের অভিযোগ উঠত, তার বড় অংশই ছিল এজেন্সিকেন্দ্রিক।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে হজ কার্যক্রমে যুক্ত ছিল ২৫৯টি এজেন্সি। ২০২৫ সালে তা কমে আসে ৭০টিতে। আর ২০২৬ সালে লিড এজেন্সি ব্যবস্থা চালুর পর এ সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৩০টিতে। ফলে আবাসন, পরিবহণ ও খাবার ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়েছে এবং অনিয়মের সুযোগ কমেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কঠোর নজরদারি, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ের কারণে এবারের হজ ব্যবস্থাপনা তুলনামূলকভাবে সফল হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বয়স্ক হজযাত্রীর সংখ্যা এবং লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ ভবিষ্যতেও গুরুত্ব দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন (কায়কোবাদ) বলেন, এবারের হজ ব্যবস্থাপনা ছিল একই সঙ্গে বড় চ্যালেঞ্জ ও সফল অভিজ্ঞতা। শুরু থেকেই জবাবদিহিতা, নিয়মিত মনিটরিং, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং আইটি সাপোর্টের মাধ্যমে হাজিদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

জানা গেছে, এবার সৌদি আরবে বাংলাদেশ হজ আইটি হেল্পডেস্ক থেকে ২৮ হাজারের বেশি সেবা দেওয়া হয়েছে। হজ শেষে মনির আহমেদ নামে এক হাজি জানান, তথ্যপ্রাপ্তি, পরিবহণ ও আবাসন ব্যবস্থাপনা আগের তুলনায় অনেক বেশি সহজ ও স্বচ্ছ ছিল।

এবার হারিয়ে যাওয়া হাজির সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৯ সালে হারানো ও উদ্ধার হওয়া হাজির সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৯ জন। ২০২৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৭২২ জনে।

এ বছর ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালন করেন।

হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, এবারের হজ ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে ইতিবাচক দিক ছিল জবাবদিহিতা ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা।

ঢাকা আশকোনা হজ ক্যাম্পের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন জানান, ৩০ জুন শেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে হজযাত্রীরা দেশে ফিরেছেন। দেশে ফেরার প্রতিটি ফ্লাইটে যাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা একযোগে কাজ করেছে।

আরও পড়ুন