১৪ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২:১৫

শিরোনাম
‘রাজাকার’ থেকে ‘ফার্মের মুরগি’, দুই বছর পর আবার ১৪ জুলাই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সংসদ ভবনের সামনে পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ‘জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না’, বিরোধীদলীয় নেতা ‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যে ভাইরাল শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ নেই, দাবি শিক্ষামন্ত্রীর বন্যাকবলিত দেশের ৫৯ উপজেলা, মৃত্যু বেড়ে ৫৪: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে সরকারের অবস্থান জানালেন তথ্য উপদেষ্টা দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯০
শিরোনাম
‘রাজাকার’ থেকে ‘ফার্মের মুরগি’, দুই বছর পর আবার ১৪ জুলাই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সংসদ ভবনের সামনে পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ‘জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না’, বিরোধীদলীয় নেতা ‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যে ভাইরাল শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ নেই, দাবি শিক্ষামন্ত্রীর বন্যাকবলিত দেশের ৫৯ উপজেলা, মৃত্যু বেড়ে ৫৪: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে সরকারের অবস্থান জানালেন তথ্য উপদেষ্টা দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯০

‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যে ভাইরাল শিক্ষামন্ত্রী

‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যে ভাইরাল শিক্ষামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই, ২০২৬, ২১:০৯

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন ও ঢাকা সিটি কলেজের এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মধ্যকার ফোনালাপ। কথোপকথনে শিক্ষার্থীদের বৃষ্টিতে ভেজা ও অসুস্থতার প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে ‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে সিটি কলেজের ওই পরীক্ষার্থীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমি এইভাবে মিটিংয়ে বলেছিলাম—এরা তো ফার্মের মুরগি, এগুলো তো মাথায় বৃষ্টি পড়লেই জ্বর আসে। আমার মেয়েরও তাই হয়। একদিন বৃষ্টিতে ভিজবে, জ্বর আসবে, তখন পরের তিন দিন তো আর পরীক্ষা দিতে পারবে না এরা।”

শিক্ষামন্ত্রীর ওই মন্তব্যের পর কথোপকথনের অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মুঠোফোনে ওই পরীক্ষার্থী বলেন, ‘কিন্তু স্যার যাদের জ্বর হয়ে গেছে, আমরা তো সিটি কলেজের স্টুডেন্ট, যারা পরীক্ষা দিচ্ছি তাদের অলরেডি অনেকের জ্বর। কারণ বৃষ্টিতে ভিজে অবস্থা খারাপ। ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা দিনে বৃষ্টিতে ভিজছে, আইসিটি পরীক্ষার দিনেও প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ৫টা পর্যন্ত মিটিং করেছি। সেখানে সবাই বলছেন আমরা প্রিপেয়ার্ড। শিক্ষার্থীরাও প্রিপেয়ার্ড। মিটিং করেছি, সেখানে কেউ পরীক্ষা পেছানোর জন্য রাজি হয় না। আমি রাজি ছিলাম... অন্যদের চেয়ে আমি পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্তের পক্ষে ছিলাম। যাই হোক তুমি পরীক্ষা দিয়ে ফেলো। আশা করি ভালো হবে।’

পরীক্ষার রুটিন নিয়েও মন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করে ওই ছাত্রী বলেন, ‘উচ্চতর দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষার আগে একদিন ছুটি। এত চ্যাপ্টার...মাঝে একদিন মাত্র ছুটি। সেটা কি হয় স্যার? একদিনে কি এতগুলো চ্যাপ্টার রিভাইস করা পসিবল স্যার? ফিজিক্স সেকেন্ড পেপারের মতো বিষয়ে... যেখানে ১১টা চ্যাপ্টার স্যার। কীভাবে সম্ভব?’

জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি তোমাকে বলি, তোমাদের স্টেকহোল্ডারদের (অংশীজন) সঙ্গে কথা বলে রুটিন দিয়েছি। তারপরও বলেছি, যদি এ রুটিন গ্রহণযোগ্য না হয়, তাহলে আমি চেঞ্জ করবো। কিন্তু কেউ তো আমাকে কোনো রেসপন্স করেনি।’

ওই ছাত্রী আরও বলেন, ‘কিন্তু স্যার শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারছে যে তাদের ওপর দিয়ে কি যাচ্ছে। পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, জীববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র এবং উচ্চতর গণিত দ্বিতীয়পত্রে এক দিন করে ছুটি। এটা কি মানা যায় স্যার?’

এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এমনিতেই তো রুটিন করা হচ্ছিল যে সকাল-বিকেল পরীক্ষা নিয়ে দ্রুত শেষ করবে। যেটা আমরাও ছাত্রজীবনে দিয়েছি। তখন আমি বললাম যে, এটা সম্ভব না। ওরা পারবে না, কষ্ট হয়ে যাবে। অন্তত একদিন গ্যাপ দিয়ে দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হোক। সেটাই এখন নেওয়া হচ্ছে। আমি সবকিছু চিন্তাভাবনা করেই করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এগুলো বলে আর লাভ হবে না। বিকেল ৫টা পর্যন্ত মিটিং করেছি। নো বডি একসেপ্ট মি, যে পরীক্ষা পেছানোর ব্যাপারে। তুমি তো সিটি কলেজ। চিন্তা কইরো না তো। এখন গরম এক কাপ কফি দিতে বলো, খেয়ে পড়তে বসে যাও।’

আরও পড়ুন