১০ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ২৩:৪৩

শিরোনাম
বদলাচ্ছে চিরাচরিত ধারা, বিটিভিতে বিরোধীদলীয় নেতার খবর প্রচার হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে ফাঁসি কার্যকরের দাবি নাহিদ ইসলামের সম্প্রীতি ও ঐক্যের মাধ্যমে দেশ গড়ার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর চট্টগ্রামে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী ইইউ, শিগগিরই আসছে কারিগরি দল ‘মাদকে ভেজাল নেই, খাদ্যে ভেজাল!’ সংসদে ক্ষোভ সাবিকুন্নাহারের শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে আসছেন প্রখ্যাত আলেম আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী
শিরোনাম
বদলাচ্ছে চিরাচরিত ধারা, বিটিভিতে বিরোধীদলীয় নেতার খবর প্রচার হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে ফাঁসি কার্যকরের দাবি নাহিদ ইসলামের সম্প্রীতি ও ঐক্যের মাধ্যমে দেশ গড়ার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর চট্টগ্রামে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী ইইউ, শিগগিরই আসছে কারিগরি দল ‘মাদকে ভেজাল নেই, খাদ্যে ভেজাল!’ সংসদে ক্ষোভ সাবিকুন্নাহারের শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে আসছেন প্রখ্যাত আলেম আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী

খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে চট্টগ্রামের সাড়ে ৪ লাখ পানিবন্দি মানুষ

খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে চট্টগ্রামের সাড়ে ৪ লাখ পানিবন্দি মানুষ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ জুলাই, ২০২৬, ১৫:৩৪

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অন্তত সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়া উপজেলা, যেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে ৩ লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন। পানিবন্দি এলাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সাতকানিয়ার পাশাপাশি চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে গেলেও অসংখ্য মানুষ এখনো ঘরবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

সাতকানিয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা ও থানাসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি ঢুকেছে। অন্যদিকে বাঁশখালীতে পাঁচ শতাধিক মাটির ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম–বাঁশখালী সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় জেলা শহরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পুইছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা পারভেজ মোশারফ বলেন, ভারী বৃষ্টি ও জোয়ারের কারণে ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে চলে গেছে।

এদিকে সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কেরানীহাট–বান্দরবান সড়কের কয়েকটি অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

চন্দনাইশেও পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছে। উপজেলার দুটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। শঙ্খ নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় বুধবার সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের হাশিমপুর এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়ে যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে।

আরও পড়ুন