১৩ জুন ২০২৬, শনিবার, ২০:০৬

শিরোনাম
দাশেরকান্ধি পয়ঃশোধনাগারে ঢাকা ওয়াসার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জুলাই থেকে ৪০ লাখের বেশি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেটের দাবি অর্থমন্ত্রীর হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে ৮৫ হাজার ছাড়াল বিড়াল বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শাহবাগে মেট্রোরেল বন্ধ ২৫ মিনিট, যাত্রী ভোগান্তি চরমে কক্সবাজার সফরে পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বার কাউন্সিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণদের তালিকা ঘোষণা
শিরোনাম
দাশেরকান্ধি পয়ঃশোধনাগারে ঢাকা ওয়াসার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জুলাই থেকে ৪০ লাখের বেশি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেটের দাবি অর্থমন্ত্রীর হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে ৮৫ হাজার ছাড়াল বিড়াল বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শাহবাগে মেট্রোরেল বন্ধ ২৫ মিনিট, যাত্রী ভোগান্তি চরমে কক্সবাজার সফরে পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বার কাউন্সিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণদের তালিকা ঘোষণা

ইউরেনিয়াম ভান্ডারে প্রবেশ কঠিন করতে ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় বিস্ফোরক পুঁতেছে ইরান

ইউরেনিয়াম ভান্ডারে প্রবেশ কঠিন করতে ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় বিস্ফোরক পুঁতেছে ইরান

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ জুন, ২০২৬, ১৮:২৬

ইরান তাদের অতি-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত রাখা ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোতে প্রবেশ কঠিন করতে বিস্ফোরক মাইন পুঁতেছে এবং কয়েকটি টানেল ইচ্ছাকৃতভাবে ধসিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সূত্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েক সপ্তাহে নেওয়া এসব পদক্ষেপের ফলে ইরানের সংরক্ষিত উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামে পৌঁছানো আগের তুলনায় আরও জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন এবং প্রয়োজন হলে ইউরেনিয়াম জব্দ করার কথাও উল্লেখ করেন। এর পরপরই তেহরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করেছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করছেন।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য একটি সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছিল বলে মার্কিন প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে। ওই আলোচনায় ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা অন্যতম প্রধান ইস্যু ছিল।

তবে এ বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। আলোচনার খসড়ার কিছু অংশ ইরানের একটি আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।

মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, যেসব স্থাপনায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণ করা হয়েছে, সেখানে প্রবেশের পথগুলো এমনভাবে সুরক্ষিত করা হয়েছে যে ভবিষ্যতে উপাদানগুলো উদ্ধার বা স্থানান্তর করা কঠিন হতে পারে। এর জন্য বিশেষায়িত খনন ও বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ দলের প্রয়োজন হবে।

মার্কিন ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সাবেক কর্মকর্তা স্কট রোয়েকার সিএনএনকে বলেন, এসব তথ্য সঠিক হলে ইউরেনিয়াম অপসারণ বা যাচাইয়ের কাজ উল্লেখযোগ্যভাবে জটিল হয়ে পড়বে। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের জন্য সব মজুতকৃত উপাদান যাচাই করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের অতি-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বড় একটি অংশ দেশটির ইসফাহান অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে রাখা রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সম্ভাব্য কোনো চুক্তি হলেও ইউরেনিয়াম অপসারণ ও যাচাই একটি দীর্ঘ ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রক্রিয়া হবে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোর বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় এ কাজে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

আরও পড়ুন