১২ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০০:১৮

শিরোনাম
আবারো দেশে ৪ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ শিক্ষায়, সবচেয়ে কম ত্রাণে সরকারি চাকরিজীবিদের নতুন বেতন কাঠামো, বাড়তি ৪৬৪১ কোটি বরাদ্দ বাজেটে চমক, আসছে ৮ বড় জনকল্যাণ উদ্যোগ বাজেটে দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতুর ঘোষণা রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে চূড়ান্ত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ই-হেলথ কার্ড, গঠিত হবে জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে করছাড়, কমতে পারে নিত্যপণ্য ও চিকিৎসা খরচ
শিরোনাম
আবারো দেশে ৪ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ শিক্ষায়, সবচেয়ে কম ত্রাণে সরকারি চাকরিজীবিদের নতুন বেতন কাঠামো, বাড়তি ৪৬৪১ কোটি বরাদ্দ বাজেটে চমক, আসছে ৮ বড় জনকল্যাণ উদ্যোগ বাজেটে দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতুর ঘোষণা রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে চূড়ান্ত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ই-হেলথ কার্ড, গঠিত হবে জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে করছাড়, কমতে পারে নিত্যপণ্য ও চিকিৎসা খরচ

৭ দিনের মধ্যে মিলবে ব্যবসার লাইসেন্স, কোম্পানি নিবন্ধন ৪৮ ঘণ্টায়

৭ দিনের মধ্যে মিলবে ব্যবসার লাইসেন্স, কোম্পানি নিবন্ধন ৪৮ ঘণ্টায়

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ জুন, ২০২৬, ১৫:৩৩

ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার ক্ষেত্রে অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সহজ করতে অনলাইনভিত্তিক সিঙ্গেল-উইন্ডো ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। নতুন অর্থবছরের বাজেটে এ সংক্রান্ত ঘোষণা আসতে পারে। প্রস্তাব অনুযায়ী, আবেদন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে লাইসেন্স প্রদান পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ব্যবসা শুরু করতে গিয়ে উদ্যোক্তাদের দীর্ঘসূত্রতা, অতিরিক্ত ব্যয় ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে হয়। এসব সমস্যা কমাতে বিভিন্ন সংস্থার অনুমোদন ও লাইসেন্সিং কার্যক্রম একটি সমন্বিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এ ছাড়া কোম্পানি নিবন্ধন প্রক্রিয়াও দ্রুততর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কোম্পানি নিবন্ধনের কাজ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করা হবে। এতে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা শুরু করা আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

এই ঘাটতি মেটাতে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে। প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা।

জাতীয় সংসদে স্পিকারের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। এটি দেশের ৫৫তম বাজেট। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেটও এটি।

আরও পড়ুন