০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৫:২৯

শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট
শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর ভিন্নমত

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর ভিন্নমত

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১৯:৫২

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রস্তাবিত সাংবিধানিক আদেশ ও গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ফের মতভেদ দেখা দিয়েছে। কেউ এটি সংকট সমাধানের পথ হিসেবে দেখছেন, কেউ মনে করছেন এটি নির্বাচন বিলম্বের কৌশল এবং নতুন জটিলতার জন্ম দিতে পারে।

রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংলাপে এই ভিন্নমত প্রকাশ পায়। সংলাপে বিশেষজ্ঞদের মত তুলে ধরেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, একটি সাংবিধানিক আদেশের (কনস্টিটিউশন অর্ডার) মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই সনদের ২২ দফা বাস্তবায়ন করতে পারে। এটি সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হলেও, নির্বাচনের দিন গণভোটের মাধ্যমে জনসমর্থন পেলে তা পূর্বপ্রভাবসহ বৈধতা পাবে।

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়া ছিল ভিন্নধর্মী:

  • এবি পার্টি সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, “সাংবিধানিক আদেশ ও গণভোটের প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে দেখি, তবে আইনি ভিত্তি না থাকলে বাস্তবায়ন নিয়ে সন্দেহ থাকবে।”

  • গণঅধিকার পরিষদ সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, “সরকার নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে দলগুলোর ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছে। গণভোটে সনদের বিরুদ্ধে রায় এলে কী হবে?”

  • এনসিপি যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন বলেন, “আমরা সংবিধানের ১০৬ ধারা নয়, সরকারের অধীনেই গণপরিষদ নির্বাচন চাই।”

  • এলডিপি মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ বলেন, “২২ নম্বর অনুচ্ছেদ এখনো সাংবিধানিক স্বীকৃতি পায়নি। নির্বাচনই হোক অগ্রাধিকার।”

  • গণসংহতি আন্দোলন প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, “অধ্যাদেশ আনলে তা যেন কর্তৃত্ববাদী না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।”

  • জেএসডি সাধারণ সম্পাদক শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, “আইনি ভিত্তি ছাড়া বাস্তবায়ন কঠিন। ১০৬ অনুচ্ছেদে পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।”

  • জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম মহাসচিব মঞ্জুররুল ইসলাম আফেন্দি বলেন, “সংবিধান সংশোধন সংসদে হতে হবে। গণভোট জটিলতা বাড়াতে পারে।”

  • বাসদ (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা বলেন, “সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে থাকলেও এমনভাবে করতে হবে যাতে আইনি চ্যালেঞ্জ না আসে।”

  • ভাসানী জনশক্তি পার্টি মহাসচিব আবু ইউসুফ সেলিম বলেন, “২২ ও ২৫ অনুচ্ছেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের মতামত নেওয়া দরকার।”

সংলাপে অংশ নেওয়া নেতারা মূলত সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে আগ্রহ দেখালেও পদ্ধতি, আইনগত বৈধতা এবং গণভোটের যৌক্তিকতা নিয়ে স্পষ্ট বিভাজন প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন