০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৪:০৪

শিরোনাম
ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন
শিরোনাম
ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন

ভাগ্নে গরু ১০ লাখ, মামা গরু ৮ লাখ

ভাগ্নে গরু ১০ লাখ, মামা গরু ৮ লাখ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ মে, ২০২৬, ১৪:১০

বাগেরহাটের সদর উপজেলার হাকিমপুর গ্রামে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে খামারে প্রস্তুত করা হয়েছে বিশাল আকৃতির দুই ষাঁড় ‘মামা’ ও ‘ভাগ্নে’। ১ হাজার ১০০ ও ১ হাজার ২০০ কেজি ওজনের এই দুটি ষাঁড়কে ঘিরে এলাকায় এখন কৌতূহলের শেষ নেই।

স্থানীয় নাজমা ডেইরি ফার্মের মালিক শেখ ইব্রাহিম হোসেন জানান, খামারেই জন্ম নেওয়া হলস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের দুই বকনাকে ভালোবেসে তিনি নাম দিয়েছেন ‘মামা’ ও ‘ভাগ্নে’। প্রতিদিন দেড় হাজার টাকার বেশি খড়, ঘাস ও ভূষিসহ দেশীয় খাবার খাইয়ে তাদের বড় করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এবার কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা ‘ভাগ্নে’ ষাঁড়টির দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুট এবং উচ্চতা ৬ ফুট। এর ওজন প্রায় ১ হাজার ২০০ কেজি। খামার মালিক এর দাম হাঁকিয়েছেন ১০ লাখ টাকা। অন্যদিকে ১ হাজার ১০০ কেজি ওজনের ‘মামা’ ষাঁড়টির দাম চাওয়া হয়েছে ৮ লাখ টাকা।

শেখ ইব্রাহিম হোসেন বলেন, তিনি প্রায় দুই দশক ধরে গরু পালন করছেন। পরিবারের সদস্যদের মতোই খামারের পশুগুলোকে বড় করেছেন। ন্যায্য দাম পেলে দুটি ষাঁড় বিক্রি করবেন বলেও জানান তিনি।

খামার মালিকের মা নাজমা বেগম বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি পশুপালনের সঙ্গে যুক্ত। এখন খামারে মোট ১১টি গরু রয়েছে। প্রতিটি প্রাণীকেই সন্তানের মতো লালন-পালন করা হয় বলে জানান তিনি।

বাগেরহাট ব্র্যাক ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রজেক্টের ইনচার্জ মো. মারুফ হোসেন বলেন, খামারটিতে নিয়মিত দুধ সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে খামারিরা লাভবান হতে পারেন।

অন্যদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছাহেব আলী বলেন, হাকিমপুরের এই ফার্মের ‘মামা’ ও ‘ভাগ্নে’ জেলার সবচেয়ে বড় দুটি গরু। প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজাকরণ করা এই গরু দুটি ভালো দামে বিক্রি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
 

আরও পড়ুন