০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৭:০২

শিরোনাম
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু
শিরোনাম
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু

জুলাই আন্দোলন দমাতে ৩ লাখ ৫ হাজারেরও বেশি রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়: প্রসিকিউশন

জুলাই আন্দোলন দমাতে ৩ লাখ ৫ হাজারেরও বেশি রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়: প্রসিকিউশন

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:১৪

গত বছরের জুলাই আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সারাদেশে ৩ লাখ ৫ হাজার ৬৭ রাউন্ড গুলি ছুড়েছিল বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এর মধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকাতেই ছোড়া হয় ৯০ হাজার ১১২ রাউন্ডের বেশি গুলি।

এই তথ্য তুলে ধরা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ চলমান গণহত্যা মামলায়, যেখানে প্রধান আসামি হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং একজন শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাসহ মোট ৩ জন।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মামলার দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে, মো. আলমগীর নামে মামলার মূল তদন্ত কর্মকর্তা এবং রাষ্ট্রপক্ষের ৫৪তম ও চূড়ান্ত সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দেন।

শুনানিতে প্রসিকিউশন জানায়, “কোনো ধরনের উস্কানি, দাঙ্গা বা সরকারি স্থাপনায় হামলা ছাড়াই, সাধারণ আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিকল্পিতভাবে মারণাস্ত্র ব্যবহার করে। এটা ছিল সরাসরি মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা।”

শুনানিতে জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের নৃশংসতার ভিডিও ফুটেজ আদালতে উপস্থাপন করা হয়। একইসঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি ও সাক্ষ্য সরাসরি সম্প্রচার করা হয়, যাতে জনসাধারণ সরাসরি আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারে।

প্রসিকিউশন দাবি করেছে, “নিরীহ নাগরিকদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা শুধু একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অংশ নয়—এটি আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ‘ক্রাইম এগেইনস্ট হিউম্যানিটি’ বা মানবতাবিরোধী অপরাধ।”

আরও পড়ুন