১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ০৫:০৭

শিরোনাম
রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জনস্বার্থে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তীত রেখেছে সরকার সংবিধান সংস্কার নয় বরং সংবিধান সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল
শিরোনাম
রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জনস্বার্থে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তীত রেখেছে সরকার সংবিধান সংস্কার নয় বরং সংবিধান সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল

সয়াবিন তেলের বদলে সরিষার তেল, কতটা নিরাপদ?

সয়াবিন তেলের বদলে সরিষার তেল, কতটা নিরাপদ?

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩:১৮

স্বাস্থ্যসচেতন অনেকেই এখন রান্নায় সয়াবিন তেলের পরিবর্তে সরিষার তেল ব্যবহার করছেন। অনেকের ধারণা, সরিষার তেল হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী। তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, সরিষার তেলের কিছু স্বাস্থ্যগুণ থাকলেও এটি অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়। পরিমিত পরিমাণে ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবারে এখনো সয়াবিন তেলই রান্নার প্রধান মাধ্যম। তবে সূর্যমুখী, ক্যানোলা বা চালের তুষের তেলের তুলনায় সরিষার তেল সহজলভ্য হওয়ায় অনেকেই স্বাদ ও স্বাস্থ্য দুই দিক বিবেচনায় এটি বেছে নিচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরিষার তেলে সয়াবিন তেলের তুলনায় সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ কম এবং উপকারী অসম্পৃক্ত চর্বি বেশি থাকে। এ কারণে এটি হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। পাশাপাশি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল (এলডিএল) ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারে।

এ ছাড়া সরিষার তেলে ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকলেও ওমেগা–৬-এর পরিমাণ তুলনামূলক কম। তবে বর্তমান খাদ্যাভ্যাসে অন্যান্য খাবার থেকেই সাধারণত পর্যাপ্ত ওমেগা–৬ পাওয়া যায়। তাই পুষ্টিগত দিক থেকে সরিষার তেলকে একটি গ্রহণযোগ্য বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তবে সরিষার তেল নিয়ে কিছু বিতর্কও রয়েছে। এর অন্যতম কারণ এতে থাকা ইরুসিক অ্যাসিড। প্রাণীর ওপর পরিচালিত কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ইরুসিক অ্যাসিড হৃদ্‌যন্ত্রে চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যদিও মানুষের ক্ষেত্রে এমন ক্ষতির পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

এ কারণেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরিষার তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভিন্ন নীতি অনুসরণ করা হয়। কিছু দেশে রান্নায় এর ব্যবহার সীমিত থাকলেও দক্ষিণ এশিয়ায় বহু বছর ধরেই এটি নিয়মিত ব্যবহৃত হচ্ছে এবং বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির সুস্পষ্ট প্রমাণ এখনো মেলেনি।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সরিষার তেলকে সম্পূর্ণ ক্ষতিকর বা সম্পূর্ণ নিরাপদ কোনোটিই নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। তাই এটি পরিমিত পরিমাণে ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভালো।

শিশুদের প্রতিদিন সরিষার তেলে রান্না করা খাবার না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি অবশ্যই ভেজালমুক্ত ও মানসম্মত তেল ব্যবহার করা উচিত। কারণ ভেজাল তেল নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, সরিষার তেলের ঝাঁজ তাদের অস্বস্তি বাড়াতে পারে। এছাড়া হৃদ্‌রোগ, যকৃত বা কিডনির দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং গর্ভবতী নারীদের নিয়মিত সরিষার তেল খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত। যাদের সরিষার তেলে অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের এটি এড়িয়ে চলাই নিরাপদ।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, সুস্থ থাকতে প্রতিদিন মোট ভোজ্যতেল গ্রহণের পরিমাণ চার থেকে পাঁচ টেবিল চামচের বেশি না হওয়াই ভালো। তেল যে ধরনেরই হোক, পরিমিত ব্যবহারই সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

আরও পড়ুন