২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪:৫০

শিরোনাম
এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন নয়, জানালেন মির্জা ফখরুল
শিরোনাম
এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন নয়, জানালেন মির্জা ফখরুল

চার আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ: হাইকোর্টে রিট আবেদন গ্রহণ

চার আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ: হাইকোর্টে রিট আবেদন গ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২০:৩৪

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারটি আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে পরাজিত প্রার্থীদের করা আবেদন গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন একক নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনাল এসব আবেদন গ্রহণ করে আদেশ দেন। একইসঙ্গে অভিযুক্ত আসনগুলোর নির্বাচনী সরঞ্জামাদি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ এবং গাইবান্ধা-৪ আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে ভোটের ফলাফল পুনঃগণনার আবেদন করা হয়। অন্যদিকে, শেরপুর-১ আসনে অনিয়মের অভিযোগ এনে আবেদন করেছে বিএনপি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এসব আসনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন পরাজিত প্রার্থীরা।

বিচারপতি জাকির হোসেনের বেঞ্চ আবেদনগুলো আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর বিজয়ী প্রার্থীদের প্রতি নোটিশ জারির নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ৪৯ ধারা অনুযায়ী গঠিত এই ট্রাইব্যুনাল নির্বাচনী অনিয়মগুলো খতিয়ে দেখবে। বিশেষ করে ব্যালট পেপার, মুড়ি ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য ইসিকে তা সুরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ শুনানির জন্য হাইকোর্টে এই বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। পরাজয় মেনে না নেওয়া প্রার্থীরা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার সুযোগ পান। আজ জামায়াত ও বিএনপির মোট ৪টি আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন।

আরও পড়ুন