১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ০৯:৪৯

শিরোনাম
রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জনস্বার্থে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তীত রেখেছে সরকার সংবিধান সংস্কার নয় বরং সংবিধান সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল
শিরোনাম
রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জনস্বার্থে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তীত রেখেছে সরকার সংবিধান সংস্কার নয় বরং সংবিধান সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল

এনসিপি-এবি পার্টিসহ কয়েকটি দলের সমন্বয়ে আসছে নতুন জোট

এনসিপি-এবি পার্টিসহ কয়েকটি দলের সমন্বয়ে আসছে নতুন জোট

প্রকাশিত: ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১২

এনসিপি, এবি পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও আপ বাংলাদেশকে নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোটগঠন হতে চলেছে। এই জোটে যুক্ত করতে দর কষাকষি চলছে গণঅধিকার পরিষদ, গণতন্ত্র মঞ্চে থাকা কয়েকটি দলের সাথেও। সম্ভাব্য নতুন এই জোটের নাম হতে পারে জুলাই জোট বা গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট কিংবা তৃতীয় ধারার সমমনা। 
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ ও চাঁদাবাজিবিরোধী অবস্থান নতুন জোটের লক্ষ্য। শরীক নেতারা জানান, জোট গঠনের পাশাপাশি বড় দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের সাথে নির্বাচনী সমঝোতায় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, একসাথে নির্বাচন করার পরিকল্পনা আমাদের আছে। কিন্তু সেখানে আসন প্রাধান্য পাবে না, অঙ্গীকার বাস্তবায়নের বিষয়টাকে প্রাধান্য দিবো। পুরনো দলগুলোর মধ্যে যদি কোনও সম্ভাবনাময় প্রার্থী থাকে তাহলে ভালো, আমরা হয়তো মনে করছি যে, উনি আমাদের জুলাই অভ্যুত্থানে ভূমিকা রেখেছেন, এ রকম কাউকে কাউকে আমরা সমর্থন দিতে পারি। 
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, প্রত্যেকটা দলের প্রবণতা ও মতাদর্শ জানি। এই ভিন্নতা কাটিয়ে ওঠেই একসাথে যাব। জোটের পক্ষ থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে দলগুলো। বড় কোনও দলের সাথে আসন সমঝোতা হলেও নির্বাচনের মাঠে লড়বে জোট নিয়েই। 
মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, যে যার প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে, বাকিরা সেখানে সমর্থন দেবে। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী আমরা বিভিন্ন দলের নীতি-চিন্তার ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেবো। 
নেতারা আরও বলেন, নতুন করে ফ্যাসিবাদ যেন আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, এজন্য চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে ভূমিকা রাখবে এই জোট।

আরও পড়ুন