২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০:০৬

শিরোনাম
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন নয়, জানালেন মির্জা ফখরুল ২০২৭ হজে খরচ কমাতে সৌদির কাছে বাংলাদেশের অনুরোধ ডিসেম্বরে উদ্বোধনের লক্ষ্যে এগোচ্ছে থার্ড টার্মিনাল: বেবিচক সাজাপ্রাপ্ত সব পলাতক আসামিকে দেশে ফেরানো হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
শিরোনাম
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন নয়, জানালেন মির্জা ফখরুল ২০২৭ হজে খরচ কমাতে সৌদির কাছে বাংলাদেশের অনুরোধ ডিসেম্বরে উদ্বোধনের লক্ষ্যে এগোচ্ছে থার্ড টার্মিনাল: বেবিচক সাজাপ্রাপ্ত সব পলাতক আসামিকে দেশে ফেরানো হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাণিজ্যিকভাবে মস্তিষ্কে চিপ প্রতিস্থাপনে চীনের নতুন অগ্রগতি

বাণিজ্যিকভাবে মস্তিষ্কে চিপ প্রতিস্থাপনে চীনের নতুন অগ্রগতি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ জুলাই, ২০২৬, ১৯:২৯

ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস (বিসিআই) প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহারে নতুন অগ্রগতির দাবি করেছে চীন। দেশটির সাংহাইয়ে প্রথমবারের মতো নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়া একটি মস্তিষ্কের চিপ সফলভাবে একজন রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পরীক্ষামূলক ধাপ পেরিয়ে প্রযুক্তিটি চিকিৎসাসেবায় ব্যবহারের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সাংহাইয়ের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট হুয়াশান হাসপাতালে অস্ত্রোপচারটি সম্পন্ন হয়। প্রায় এক দশক আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত পাওয়া ওই রোগী দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়েও হাতের স্বাভাবিক নড়াচড়া ফিরে পাননি। পরে তাঁকে নতুন এই প্রযুক্তির জন্য নির্বাচিত করা হয়।

রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে ‘নিও’ নামের একটি ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস, যা সাংহাইভিত্তিক একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে। অস্ত্রোপচারের পর রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, চিপটি সফলভাবে উচ্চমানের মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক সংকেত সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে।

এই প্রযুক্তিতে মানুষের চিন্তার ফলে সৃষ্ট বৈদ্যুতিক সংকেত শনাক্ত করে তা কম্পিউটারে পাঠানো হয়। পরে সেই সংকেত বিশ্লেষণ করে একটি রোবোটিক গ্লাভস নিয়ন্ত্রণ করা হয়, যা রোগীর হাত নড়াতে সহায়তা করে। এর মূল লক্ষ্য পক্ষাঘাতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দৈনন্দিন কাজকর্মে আরও স্বনির্ভর করে তোলা।

চলতি বছরের মার্চে চীনের জাতীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রযুক্তিটির বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। চীনের দাবি, এটিই বিশ্বের প্রথম উচ্চঝুঁকির প্রতিস্থাপনযোগ্য ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস, যা আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যিক অনুমোদন পেয়েছে। ফলে নির্ধারিত রোগীদের চিকিৎসায় এটি এখন সাধারণ হাসপাতালেও ব্যবহার করা যাচ্ছে।

অন্যদিকে, ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান নিউরালিংক একই ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করলেও তাদের মস্তিষ্কের চিপ এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়েই রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি কয়েকজন রোগীর শরীরে চিপ প্রতিস্থাপন করেছে, তবে এখনো যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক অনুমোদন পায়নি।

দুই প্রযুক্তির নকশায়ও পার্থক্য রয়েছে। নিউরালিংকের চিপ মস্তিষ্কের টিস্যুর ভেতরে সূক্ষ্ম সুতা-সদৃশ ইলেকট্রোড প্রবেশ করিয়ে স্থাপন করা হয়। বিপরীতে চীনের ‘নিও’ চিপ মস্তিষ্কের উপরিভাগে বসানো হয়, ফলে এটি তুলনামূলকভাবে কম আক্রমণাত্মক পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় মস্তিষ্কের সংকেত সংগ্রহ করতে সক্ষম।

আরও পড়ুন