২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৭:২৮

শিরোনাম
কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা
শিরোনাম
কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা

হরমুজ খুলতে ইরানে টানা হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, যুদ্ধবিরতির চেষ্টা অব্যাহত

হরমুজ খুলতে ইরানে টানা হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, যুদ্ধবিরতির চেষ্টা অব্যাহত

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ জুলাই, ২০২৬, ০৯:৪০

হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে টানা দশম দফা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ইরানও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্থাপনা ও তেল পরিবহনে হামলা জোরদার করেছে। পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই কূটনৈতিকভাবে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কূটনীতিকরা।

সোমবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিমান হামলা সম্প্রসারণ করেছে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে ওয়াশিংটনের মিত্রদের ওপর হামলার পর ইরান এখন ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে’ রয়েছে। তিনি আরও সতর্ক করেন, দেশটিকে সামনে আরও হামলার মুখোমুখি হতে হতে পারে।

ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তাবরিজ ও বুশেহর এলাকায় হামলা হয়েছে। তাবরিজে ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং বুশেহরে ইরানের একমাত্র কার্যকর বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সর্বশেষ হামলায় সামরিক কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র, নৌ সক্ষমতা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং যোগাযোগ নেটওয়ার্ককে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইরান বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি, কুয়েতে সামরিক স্থাপনা এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলরত তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানোর দাবি করেছে। বাহরাইন জানিয়েছে, হামলায় তাদের বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বিমান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বন্দর অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। তাদের দাবি, সানা বিমানবন্দরে হামলার প্রতিক্রিয়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সাম্প্রতিক হামলায় মার্কিন সেনাদের মৃত্যুর জন্য ইরানকে ‘বহুগুণ মূল্য’ দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, জর্ডানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে দুই মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এছাড়া ইরাকে একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার সময় আরও একজন সেনা নিহত হন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মোট ১৭ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন।

ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সর্বশেষ সংঘাতে দেশটিতে অন্তত ৫০ জন নিহত এবং ৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

সংঘাতের প্রভাবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলার অতিক্রম করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, হুথিদের ঘোষিত সৌদি বন্দর অবরোধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

তবে যুদ্ধের মধ্যেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের কাছে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে কাতার, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনও আলোচনার জন্য প্রস্তুত, তবে সেই আলোচনা হতে হবে ‘বাস্তবসম্মত’। তার ভাষায়, কূটনীতির সুযোগ তৈরি হলে সেটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে।

এদিকে দক্ষিণ লেবাননে নতুন একটি নিরাপত্তা কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কয়েকটি এলাকা থেকে ইসরায়েলি সেনা সরে যাবে এবং সেখানে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন হবে। তাদের দায়িত্ব হবে ওই এলাকায় হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো অপসারণ করা।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

আরও পড়ুন