০৩ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ২৩:৫৯

শিরোনাম
জুলাই সনদের প্রতি বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: মির্জা ফখরুল ১৫০ সামরিক কর্মকর্তার পদোন্নতি-সুবিধা ঘোষণা নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে যা জানাল সরকার এআই যুগেও নৈতিক সাংবাদিকতার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর রোহিঙ্গা সংকটে নতুন উদ্বেগ, কমছে বৈশ্বিক সহায়তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭.৬৫ বিলিয়ন ডলার ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও বৃক্ষরোপণে ডিএসসিসির উচ্চপর্যায়ের কমিটি লোডশেডিং ও ভূতুড়ে বিল নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের জরুরি সভা
শিরোনাম
জুলাই সনদের প্রতি বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: মির্জা ফখরুল ১৫০ সামরিক কর্মকর্তার পদোন্নতি-সুবিধা ঘোষণা নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে যা জানাল সরকার এআই যুগেও নৈতিক সাংবাদিকতার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর রোহিঙ্গা সংকটে নতুন উদ্বেগ, কমছে বৈশ্বিক সহায়তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭.৬৫ বিলিয়ন ডলার ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও বৃক্ষরোপণে ডিএসসিসির উচ্চপর্যায়ের কমিটি লোডশেডিং ও ভূতুড়ে বিল নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের জরুরি সভা

খামেনির দাফনে ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি

খামেনির দাফনে ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩ জুলাই, ২০২৬, ২১:৩৯

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা, শোকযাত্রা ও দাফন উপলক্ষে ৩ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সাত দিনের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা, শোকসভা ও শোকযাত্রায় বিপুল মানুষের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসূচির শেষ দিনে, ৯ জুলাই, ইরানের মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।

খামেনির দাফন প্রথমে মার্চে হওয়ার কথা থাকলেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় তা পিছিয়ে যায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ৮৬ বছর বয়সে নিহত হন তিনি। হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান।

১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর আলি খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এবার তার উত্তরসূরি ও ছেলে মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো এ ধরনের রাষ্ট্রীয় আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

৩ জুলাই: রাজধানী তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রনেতা, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও ইসলামি চিন্তাবিদদের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।

৪ ও ৫ জুলাই: তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য খামেনি ও তার পরিবারের নিহত সদস্যদের মরদেহ রাখা হবে।

৬ ও ৭ জুলাই: তেহরানের বিভিন্ন সড়কে শোকযাত্রা শেষে মরদেহ নেওয়া হবে পবিত্র শহর কোমে। শিয়া ধর্মীয় শিক্ষার অন্যতম কেন্দ্র কোমে খামেনিও একসময় ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন।

৮ জুলাই: মরদেহ ইরাকে নিয়ে নাজাফ ও কারবালায় শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। শিয়া মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র এই দুই শহরে ইমাম আলী (আ.) এবং ইমাম হুসাইন (আ.)-এর মাজার অবস্থিত।

৯ জুলাই: সাত দিনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ ইরানে ফিরিয়ে এনে মাশহাদের ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হবে।

১৯৩৯ সালে মাশহাদেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন আলি খামেনি। শৈশব ও কৈশোরের একটি বড় সময় তিনি এ শহরে কাটান এবং সেখানেই প্রাথমিক ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন। পরে উচ্চতর শিক্ষার জন্য কোমে যান।

বিশ্লেষকদের মতে, ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারের পাশে দাফন শুধু ব্যক্তিগত সম্মানের বিষয় নয়, বরং আলি খামেনির রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও ধর্মীয় কর্তৃত্বেরও প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে।

| Protifolon NEWS

আরও পড়ুন