০৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ১৭:০২

শিরোনাম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন অক্টোবরেই, প্রস্তুতি শুরু ইসির বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ কমানোর সিদ্ধান্ত কাতারের, বিকল্প পরিকল্পনায় সরকার জরুরি এনআইডি সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে চলবে অধিকাংশ সংশোধন কার্যক্রম হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, একদিনে শনাক্ত ১৫৯ আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
শিরোনাম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন অক্টোবরেই, প্রস্তুতি শুরু ইসির বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ কমানোর সিদ্ধান্ত কাতারের, বিকল্প পরিকল্পনায় সরকার জরুরি এনআইডি সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে চলবে অধিকাংশ সংশোধন কার্যক্রম হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, একদিনে শনাক্ত ১৫৯ আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

কোণঠাসা ট্রাম্প: সামরিক আহ্বানে সাড়া নেই মিত্রদের

কোণঠাসা ট্রাম্প: সামরিক আহ্বানে সাড়া নেই মিত্রদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৬, ২৩:৩৯

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তার এই আহ্বানে সাড়া দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে ইউরোপের প্রভাবশালী দেশগুলো। যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও গ্রিসসহ পশ্চিমা মিত্ররা সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা এই আঞ্চলিক সংঘাতে কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য কোনোভাবেই মধ্যপ্রাচ্যের বৃহৎ পরিসরের যুদ্ধে জড়াবে না। তিনি ডাউনিং স্ট্রিটে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যুক্তরাজ্য নিজেদের ও মিত্রদের রক্ষায় প্রয়োজনে কাজ করবে, কিন্তু হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত কোনো উদ্যোগ ন্যাটো মিশন হতে পারে না। জার্মানিও একই অবস্থান গ্রহণ করেছে; বার্লিনের মুখপাত্র স্পষ্ট করে বলেছেন, এই সংঘাতের সঙ্গে ন্যাটোর কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই এবং জার্মানি কোনো সামরিক অংশগ্রহণ করবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, যুক্তরাজ্যসহ মিত্ররা সামরিক সহায়তা না দিলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তবে ইউরোপীয় রাজধানীগুলোতে ট্রাম্পের এই চাপকে ‘শীতল’ প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছে। স্পেন, পোল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোও এই সামরিক অভিযানে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটো জোটের পক্ষ থেকেও বারবার বলা হয়েছে, ন্যাটো মূলত ভূখণ্ড রক্ষার প্রতিরক্ষা জোট, কোনো আঞ্চলিক যুদ্ধের জন্য নয়।

বর্তমানে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এমতাবস্থায় ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক শক্তি দিয়ে পথ খোলার চেষ্টা করলেও ইউরোপীয় দেশগুলো কূটনৈতিক আলোচনার ওপরই গুরুত্ব দিচ্ছে।

আরও পড়ুন