০৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ১৬:০৬

শিরোনাম
হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, একদিনে শনাক্ত ১৫৯ আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে নতুন কমিটি, সভাপতির দায়িত্বে আইনমন্ত্রী অপ্রয়োজনীয় সিজার কমাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮, আহত ৫৬১: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
শিরোনাম
হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, একদিনে শনাক্ত ১৫৯ আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে নতুন কমিটি, সভাপতির দায়িত্বে আইনমন্ত্রী অপ্রয়োজনীয় সিজার কমাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮, আহত ৫৬১: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘোষণা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬ জুলাই, ২০২৬, ১৪:৪১

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজধানীর গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে ‘বিশেষ শ্রেণির’ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কী পয়েন্ট ইনস্টলেশন-কেপিআই) হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে বাসভবনটি এবং আশপাশের এলাকা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় এসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুন কেপিআই-সংক্রান্ত কমিটির (কেপিআইডিসি) মাসিক সভায় বাসভবনটিকে বিশেষ শ্রেণির কেপিআই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। পরবর্তীতে সরকারি অনুমোদনের ভিত্তিতে ১৫ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় এবং গত শুক্রবার (৩ জুলাই) এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানের এই বাসভবন থেকেই সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা সরকারি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত থাকলেও তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন না।

সূত্র জানায়, বাসভবনটির মালিকানা গত বছরের ৫ জুন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নামে নামজারি করা হয়। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর গুলশানে প্রায় দেড় বিঘা জমির ওপর নির্মিত বাড়িটি খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। নামজারি সম্পন্ন হওয়ার পর ভবনটির সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়।

গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর তারেক রহমান এই বাসভবনে ওঠেন। পরে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরও সেখান থেকেই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সমন্বয়ে পৃথক নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হবে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন প্রেসিডেন্ট গার্ডস রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যরা। তাদের সঙ্গে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন।

নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুযায়ী, কেপিআই ঘোষিত স্থাপনার সীমানাপ্রাচীরের উচ্চতা কমপক্ষে ১২ ফুট হতে হবে এবং এর ওপর অতিরিক্ত তিন ফুট উচ্চতার ‘ওয়াই’ আকৃতির কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করতে হবে।

এ ছাড়া নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় আশপাশের উঁচু ভবন থেকে নজরদারি, ছবি তোলা বা সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেপিআই স্থাপনার ১৫০ থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে নতুন কোনো উঁচু ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি স্থাপনার ২৫ মিটারের মধ্যে নতুন কোনো ভবন বা স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্যের সুরক্ষা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে বিশেষ শ্রেণির কেপিআই ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন