জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮, আহত ৫৬১: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৭
দেশে গত জুন মাসে ৪৭২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৩৮ জন নিহত এবং ৫৬১ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৪৪ জন নারী ও ৫৬ জন শিশু রয়েছে। একই সময়ে ৯টি নৌদুর্ঘটনায় ৭ জন এবং ২১টি রেল দুর্ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং সংস্থাটির নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসে ১৪৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৪ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট প্রাণহানির ৩০ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এছাড়া পথচারী নিহত হয়েছেন ৯১ জন, যা মোট নিহতের ২০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। দুর্ঘটনায় চালক ও তাদের সহকারীদের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৭ জন।
যানবাহনভিত্তিক হিসাবে নিহতদের মধ্যে মোটরসাইকেলচালক ও আরোহী ১৩৪ জন, তিন চাকার যানবাহনের যাত্রী ১১২ জন, ট্রাক ও পণ্যবাহী যানবাহনের আরোহী ৩৭ জন, বাসযাত্রী ২৭ জন, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মাইক্রোবাসের আরোহী ১৪ জন এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি বিভিন্ন যানবাহনের ১৫ জন যাত্রী রয়েছেন।
দুর্ঘটনার স্থান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৩২ শতাংশ দুর্ঘটনা জাতীয় মহাসড়কে, ৪১ দশমিক ১০ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে, ১৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ গ্রামীণ সড়কে এবং ১২ দশমিক ৭ শতাংশ শহরের সড়কে ঘটেছে।
দুর্ঘটনার ধরন অনুযায়ী, ৪৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ২৩ দশমিক ৯ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষে এবং ২০ দশমিক ৫৫ শতাংশ পথচারীকে চাপা দেওয়া বা ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায়।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১১৬টি দুর্ঘটনায় ১১৮ জন নিহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম বিভাগে নিহত হয়েছেন ১১৩ জন এবং রাজশাহী বিভাগে ৭৭ জন। সবচেয়ে কম প্রাণহানি হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে, যেখানে ১৯টি দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৩২টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত এবং ৪৯ জন আহত হয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে ৫৮ জন শিক্ষার্থী, ২৪ জন ব্যবসায়ী, ২১ জন রাজনৈতিক কর্মী, ১৯ জন বিক্রয় প্রতিনিধি, ১৭ জন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কর্মী, ১৩ জন ব্যাংক ও বিমা খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ৪ জন শিক্ষক, ৪ জন আইনজীবী, ২ জন সাংবাদিক এবং ৩ জন প্রকৌশলী রয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা, মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল, মোটরসাইকেলের ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবহার, ট্রাফিক আইন অমান্য, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।
সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সংস্থাটি জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল পুনর্গঠন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সংস্কার, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার, দক্ষ চালক তৈরি, মহাসড়কে সার্ভিস সড়ক নির্মাণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ ১২ দফা সুপারিশ করেছে।
আরও পড়ুন
- • টানা দুই দফা বৃদ্ধির পর কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
- • গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
- • ব্রাজিল বিদায়ে নেইমারের জন্য মন খারাপ মাশরাফির, প্রশ্ন আনচেলত্তির সিদ্ধান্তে
- • ট্রাম্পের ফোনের পর বদলাল ফিফার সিদ্ধান্ত, খেলতে পারছেন বালোগুন
- • মাশহাদে দাফনের আগে তেহরানে লাখো মানুষের শোকযাত্রা
- • তেলাপিয়া মাছ কি স্বাস্থ্যকর?
- • সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে নতুন কমিটি, সভাপতির দায়িত্বে আইনমন্ত্রী
- • খামেনির শেষ বিদায় উপলক্ষে সোমবার ইরানের আকাশসীমা বন্ধ
- • খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
- • দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো
- • লাহোরে কোচিংয়ের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত, আহত ৫
- • আগামী নির্বাচনে প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটের আওতায় থাকবেন
- • প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭’
- • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৬তম প্রতিষ্ঠাবর্ষিকী আজ
- • ব্রাজিল-জাপান লড়াইয়ের আগে আলোচনায় ইতালিয়ান রেফারি
- • রাজধানীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯৪
- • মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড
- • শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা ‘রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি’: চিফ প্রসিকিউটর
