০৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ২৩:৫৩

শিরোনাম
হামে শিশুমৃত্যুতে ড. ইউনূসের কাছে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট ২৭তম বিসিএসে বঞ্চিত আরও ৭৭ জনকে নিয়োগ দিল সরকার শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হবে ১৬ জুলাই ১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনা সরকারের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি
শিরোনাম
হামে শিশুমৃত্যুতে ড. ইউনূসের কাছে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট ২৭তম বিসিএসে বঞ্চিত আরও ৭৭ জনকে নিয়োগ দিল সরকার শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হবে ১৬ জুলাই ১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনা সরকারের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি

হামে শিশুমৃত্যুতে ড. ইউনূসের কাছে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

হামে শিশুমৃত্যুতে ড. ইউনূসের কাছে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ জুলাই, ২০২৬, ২২:১৯

টিকার সংকট ও সরবরাহে অবহেলার অভিযোগে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ছয়জনকে বিবাদী করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১ কোটি টাকা দাবি করা হয়েছে।

রোববার হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী মো. জুয়েল আজাদ। তিনি সাত মাস বয়সী শিশু সাফওয়ান ইসলাম জাহিনের পরিবারের পক্ষে এ আবেদন করেন। গত ২৬ মে রাজধানীর শ্যামলীর একটি হাসপাতালে হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়। সে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সহকারী সমিতির সদস্য মো. শাকিলের ছেলে।

রিটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ মোট ছয়জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

আবেদনে অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা এবং চূড়ান্ত শুনানি শেষে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠনের আবেদনও জানানো হয়েছে।

আইনজীবী মো. জুয়েল আজাদ বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউনিসেফ টিকার ঘাটতি এবং হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে আগেই সতর্ক করেছিল। এরপরও টিকাদান কর্মসূচিতে গুরুতর অবহেলা হয়েছে। তার দাবি, সময়মতো টিকা ও যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে শিশুটির মৃত্যু এড়ানো সম্ভব হতে পারত।

রিটে আরও অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে টিকা সংগ্রহের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে টিকা মজুত ও সরবরাহসংক্রান্ত সব নথি আদালতে দাখিলের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন